সমুদ্রবলয়ে চিনা বিমান ও রণপোতের আনাগোনা রুখতে তৈরি আইএনএস বিশাখাপত্তনম

মুম্বই: জলে নামল অত্যাধুনিক রণতরী ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’৷ প্রধানত ভারতের সমুদ্রবলয়ে চিনা বিমান ও রণপোতের আনাগোনা রুখতেই এই নয়া রণতরীকে টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

‘আইএনএস বিশাখাপত্তনমে’র পর আরও তিনটি ‘কলকাতা ক্লাস’ যুদ্ধজাহাজ পেতে চলেছে নৌবাহিনী৷ ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনমে’’র সংযোজন ভারতীয় নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় হয়েছে ২৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা৷ ‘যদিও কলকাতা ক্লাস’ রণতরীগুলিতে এত দিন পর্যন্ত ‘টোট্যাল অ্যাটমসফিয়ার কন্ট্রোল সিস্টেম’ বা (ট্যাক) ছিল না, তবু টোট্যাল ওয়ারের ক্ষেত্রে এই পর্যায়ের রণতরীর জুড়ি মেলা ভার৷

ভারতীয় নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল একে সাক্সেনা বলেছেন, আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে কলকাতা ক্লাস রণতরীগুলি ট্যাকের উপযুক্ত হয়ে উঠবে৷ অর্থাৎ, যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতি, তা সে পরমাণু আক্রমণই হোক কিংবা জৈব-রাসায়নিক হামলাই হোক, তার মোকাবিলা করতে কলকাতা পর্যায়ের রণপোত সক্ষম হবে৷ সেদিক থেকে আইএনএস বিশাখাপত্তনমকে ট্যাকভুক্ত প্রাথমিক ধাপের রণতরী বলাই চলে৷এই রণতরীতে থাকছে দূরপাল্লার ৩২টি বারাক ৮ মিসাইল৷ ভূমি থেকে আকাশে আঘাত হানতে সমর্থ এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বানানো হয়েছে৷ তবে আইএনএস বিশাখাপত্তনমের নির্মাণে প্রযুক্তির ৬৫ শতাংশই আগাগোড়া ভারতীয়৷

Advertisement
----
-----