ঠাণ্ডার মরশুমে বেগুন ভাজা না খেলে তাঁর মন ভরে না। শরীর চর্চার বিষয় যতই সচেতন থাকুন না কেন…এই সময়টা জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করেন অভিনেত্রী সায়নী দত্ত। অন্যদিকে পরিবারের সঙ্গে বইমেলাটাও মিস করেন বলে জানালেন কলকাতা 24*7-এর প্রতিনিধি রাকেশ নস্কর-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। 

প্রশ্ন- শীতের মরশুম তুমি কতটা উপভোগ কর?
সায়নী দত্ত- আমি ভীষণ শীত ভালোবাসি। কলকাতার শীত খুবই ভালো লাগে। এই সময় আগের বছরও আমি কলকাতায় ছিলাম। এবছরও থাকব। কলকাতায় আছি, খাচ্ছি, ঘুমচ্ছি..কাজ করছি।
12208821_10208055752539687_5411171706666839751_n

Advertisement

প্রশ্ন– শীতের মরশুমে খাবার অভ্যাসে কি পরিবর্তন ঘটে?
সায়নী দত্ত- বেগুন ভাজা!!! ওটা আমার খুব ভালো লাগে। বেগুন ভাজা শীতেই বেশি খাওয়া যায়। সেক্ষেত্র ওটা আমার নাম্বার ওয়ান ফেবরিট। আমার একটু লুচি খেতেও ভালো লাগে। মিষ্টি আমি এমনিতে পছন্দ করি না। কোনও মিষ্টি জিনিস আমার ভালো লাগে না।

 প্রশ্ন – তোমার কি মনে হয়, ট্র্যাডিশনাল খাবারগুলো কি মানুষ ভুলে যাচ্ছে? যেমন  নলেন গুড়ের মিষ্টি…
সায়নী দত্ত – না! আমার মনে হয় না সেটা  সত্যিই।  যার যে স্বাদ ভালো লাগে। ঠিক  যেমন আমার মিষ্টি ভালো লাগে না কিন্তু  আমার বন্ধুর মিষ্টি ভালো লাগে। সেক্ষেত্রে  জেনারেশন চেঞ্জ হচ্ছে বলে টেস্টের চেঞ্জ  হচ্ছে এটা পুরো বাজে কথা।

 প্রশ্ন – বুক ফেয়ার তোমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
 সায়নী দত্ত- আমি প্রচণ্ড বই পড়ি। ছোটবেলা থেকেই  পড়াশোনার বই কম পড়েছি কিন্তু গল্পের বই বেশি  পড়েছি। ছোটবেলা থেকেই কলকাতার বইমেলাটা সবাই জানে। তবে আগের মতো বইমেলা এখন আর নেই। এখন বইমেলা বলতে গেলে বিজনেসের জায়গা হয়ে গিয়েছে। ছোটবেলায় আমরা বইমেলা যেতাম তখন বই কেনা, দেখা, মজা করার চিন্তাধারা নিয়ে যেতাম। এখন শুধু বিজনেস…একটাই চিন্তা কি করে বড় করা যায়। তাই এখন খুব একটা এঞ্জয় করিনা। কিন্তু বই কিনি। বইমেলায় প্রচণ্ড ঘুরতাম। এক জায়গা থেকে শুরু করে অন্য জায়গাতে গিয়ে শেষ হত। উইন্টারের সময় আমার দাদার পরিবার এখানে এসে থাকত। ছোটবেলাতেও আসত। ওদের সঙ্গে বইমেলাতে যেতাম, গিয়ে ঘুরতাম। ঘুরে একটা জায়গায় বসতাম আমার এখনও মনে আছে। ২০০৬ তে আমরা শেষবার একসঙ্গে বইমেলায় গিয়েছিলাম। বলতে গেলে পিকনিকের মতো হত। সেই সময়গুলো মিস করি এখন।

প্রশ্ন- পার্টি করতে পছন্দ কর…?
সায়নী  দত্ত- আমি একদম পার্টি করতে পছন্দ করি না। প্রচুর পার্টির আমন্ত্রণ থাকে। সবাইকে বলি আমি টায়ার্ড বা কলকাতায় নেই অথচ আমি বাড়িতেই থাকি। এটা শুনলে সবাই কিন্তু রাগ করবে। 

প্রতিনিধি – রাকেশ নস্কর

----
--