শীতের মরশুমে একটু হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। খাওয়া দাওয়া, আড্ডা, হাসি মজায় সময় কাটানো হয় বেশিরভাগ। বই মেলায় বই খোঁজা থেকে নলেন গুড়ের স্বাদ। আম জনতার মতো অভিনেত্রী মমতাজ সরকার শীতের স্পেশাল এফেক্ট থেকে বিরত থাকতে চান না। সম্প্রতি ঠাণ্ডা মরশুমের ফান্ডা শেয়ার করলেন কলকাতা 24*7–এর প্রতিনিধি রাকেশ নস্কর-এর সাক্ষাৎকারে।

প্রশ্ন – শীতের মরশুমের অনুভূতি কেমন…
মমতাজ সরকার – আই লাভ উইন্টার!!! শীতকাল আমার প্রিয় মরশুম। সারা বছর আমি অপেক্ষা করে থাকি। এবারে জমিয়ে ঠাণ্ডাটা পড়েনি। ভীষণ বিরক্ত লাগছিল প্রথমে। আমি প্রার্থনা করছি যেন ঠাণ্ডা যেন ভালোভাবে পরে। খুব মজা করে কাটাই।

Advertisement

প্রশ্ন – খাওয়া দাওয়ার বিষয় কি বলবে…? 
মমতাজ সরকার – সব কিছুই… আই লাভ টু বেক। এই সময়টা আমি পাগলের মতো কেক বানাই।

প্রশ্ন – তোমার কি মনে হয়?… নলেন গুড়, বা  শীতের বাঙালি খাবার গুলো ছেড়ে নতুন প্রজন্ম কি কেক পেস্ট্রির দিকে ঝুঁকেছে?
মমতাজ সরকার – আমার মতে এটা সময় সাপেক্ষ।  কেক পেস্ট্রি জিনিসটা হল একটা স্বাদ। আর নলেন গুড়ের সন্দেশ হল এমন জিনিস, যারা পছন্দ করেন..তারা না খেয়ে থাকতে পারেন না। এছাড়াও এটা পরিবারের উপর নির্ভর করে। কারণ ছোট থেকেই আমি যদি পেস্ট্রি খেতে অভ্যস্ত হই তাহলে এটা সমস্যা। কিন্তু আমি পেস্ট্রিও খাই …সন্দেশও খাই। তবে আমাদের একটা সমস্যা যে আমরা ওয়েস্টার্ন লাইফস্টাইলকে অনুকরণ করতে ভীষণ পছন্দ করি। সেই অনুকরণ করার দৌড়ে আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলেছি। এটা দুঃখের বিষয়। শুধু খাবারের জন্য নয়। তাই অনুকরণ না করে ভালোটা নেব, যেটা ভালো সেটাকে নিয়ে আরও চর্চা করব। সব ভালোটা দিয়ে নিজেকে গড়ে তুলব। 

প্রশ্ন – বই মেলা তোমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
মমতাজ সরকার-  বুক ফেয়ার মারাত্মক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শীত মানেই বুক ফেয়ার। আমরা ছোটবেলা থেকে বইমেলা যাওয়া যেতে চাইতাম। এটা বাংলার মানুষদের কাছে সংস্কৃতির মতো হয়ে উঠেছে। এটার জন্য আমরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকি। দুর্ভাগ্যক্রমে বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে প্রযুক্তি যেভাবে এগিয়ে গিয়েছে বইয়ের যায়গায় কিছুদিন পর বইমেলাতে কিন্ডেলস দেখা যাবে। তবু বইমেলা আমার জন্য স্পেশাল। 

প্রতিবেদক–  রাকেশ নস্কর

----
--