এই জেলার ভূমিপুত্র হিসাবে গর্ববোধ করি: শুভেন্দু

স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: বিদ্যাসাগর থেকেই শিক্ষার প্রসার শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। তাঁর উন্নতির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল শিক্ষকদেরও। মেদিনীপুর জেলার শিক্ষাক্ষেত্রে শ্রীবৃদ্ধি ঘটাচ্ছে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, প্রশাসক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রয়াসই। বুধবার তমলুকের সুবর্ণজয়ন্তী ভবনে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে এমন কথাই জানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বিদ্যাসাগর নিজস্ব প্রতিভা ছাড়াও তাঁর শিক্ষকরাও তাঁর গঠনে সাহায্য করেছিলেন। তবেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হতে পেরেছিলেন। শিক্ষার প্রসার ও তাকে আন্দোলনের রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরের স্বপ্নকে কেউ যদি প্রকৃত অর্থে সফল করে থাকেন,সেখানে পূর্ব মেদিনীপুরের আচার্যগণই অগ্রগণ্য।

শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ যৌথভাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সংসদ সদস্য দিব্যেন্দু অধিকারী,কাঁথির সংসদ সদস্য শিশির অধিকারী,জেলা পরিষদের সভাধিপতি মধুরিমা মন্ডল,সহ সভাধিপতি শেখ সুফিয়ান,শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মানস দাস এবং বিশিষ্ট শিক্ষক ও অধ্যাপকরা। সেই অনুষ্ঠানেই এই কথা বলেন তিনি।

- Advertisement -

একইসঙ্গে শুভেন্দুবাবু বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় শিক্ষার যে পরিবেশ রয়েছে,এখানকার স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যেভাবে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশিত করছে,তা রাজ্যের কাছে উদাহরণযোগ্য। টানা ছ’বছর ধরে এই জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে শতাংশের বিচারে রাজ্যের অন্য জেলাগুলিকে হারিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করছে। এই জেলার ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিকে ৯৫শতাংশ পাশ করে,এটা একটা রেকর্ড। এই জেলার ভূমিপুত্র হিসাবে এজন্য আমি গর্ববোধ করি।”

শুভেন্দু অধিকারী এও বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুরের বিদ্যালয়গুলি পরিবেশ ও পরিকাঠামোর দিক দিয়ে রাজ্যের অন্যান্য জেলার চেয়ে অনেক এগিয়ে।” সম্প্রতি রাজ্য ক্যাবিনেটে অনুমোদন হয়েছে পাঁশকুড়া,কাঁথি ও এগরায় একটি করে নার্সিং ট্রেনিং স্কুল চালু হবে। সম্প্রতি তমলুকে মেডিকেল কলেজ গড়ার অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের নিজস্ব একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির জন্য বিল পাশ হয়েছে। এর নামকরণ করা হয়েছে মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়।

এদিন শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সুতাহাটার বাবুপুর এগ্রিকালচার হাইস্কুলে ‘শিক্ষার্থী দিবস’ পালন করা হয়। এই উপলক্ষে স্কুলের শিক্ষকরা পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় দু’হাজার পঠন পাঠনে উৎসাহিত করার জন্য পড়ুয়াকে সম্বর্ধনা দেন। এই উপলক্ষে নির্মল শ্রেণীকক্ষ পুরস্কার দেওয়া হয়। এদিনই স্কুলে চালু হয় ডিজিটাল ক্লাসরুম।

Advertisement ---
---
-----