সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামে ট্রাম্প-কিম বৈঠক

ওয়াশিংটন: হোয়াইট হাউস থেকে ঘোষণা হয় মঙ্গলবার রাতে৷ ভিয়েতনামে হতে চলেছে পরবর্তী ট্রাম্প-কিম বৈঠক৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য উত্তর কোরিয়া প্রধান কিম জন উংয়ের সঙ্গে ভিয়েতনামে বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে খবর৷ চলতি মাসেরই শেষের দিকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে৷ সম্ভবত ফেব্রুয়ারির ২৭-২৮ তারিখ এই বৈঠক হতে পারে৷ তবে এখনও জানা যায়নি ভিয়েতনামের ঠিক কোন শহরে এই বৈঠক হবে৷

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে মঙ্গলবার বক্তব্য রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ স্টেট অফ ইউনিয়নে তিনি বলেন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে এই বৈঠক নিয়ে তিনি আশাবাদী৷ সেদেশের পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে বলেও এদিন আশ্বাস দেন তিনি৷ ট্রাম্প বলেন দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে এই বৈঠক সদর্থক ভূমিকা নেবে৷ আমেরিকার বন্দিরা ফিরে এসেছে, ১৫ মাস ধরে কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপন হয়নি৷ এটাই সঠিক সময় উত্তর কোরিয়ার সাথে বৈঠক করার৷

ট্রাম্প আরও বলেন তিনি যদি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট না হতেন, তবে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা সম্ভবপর হত না৷ হয়ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধত৷ কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখন উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে৷ এখনও অনেক কাজ করা বাকি, কিন্তু সম্পর্কের উন্নয়নে আমেরিকা কাজ করে যাবে৷

- Advertisement -

গতবছরের জুন মাসে সিঙ্গাপুরে প্রথমবার বৈঠকে বসে আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়া৷ ঐতিহাসিক এই বৈঠকের সাক্ষী ছিল সারা বিশ্ব৷ তার পর G-20 সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প কিমের সঙ্গে বৈঠকের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন৷ রাজনৈতিক সূত্রের খবর নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে আরও এগোতে চাইছে দুই দেশ বলে সূত্রের খবর৷

তবে এর আগে উত্তর কোরিয়ার বেশ কিছু পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ সীমান্ত থেকে মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস উত্তর কোরিয়া দিলেও, তা পূরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ছিল আমেরিকার৷ কারণ উপগ্রহ চিত্রে উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকটি অস্ত্র পরীক্ষাগারের সন্ধান পাওয়ার দাবি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ তবে সেই বরফ গলিয়ে ফের মুখোমুখি হচ্ছেন ট্রাম্প-কিম৷

যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই বৈঠক নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করার একটা অছিলা৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকের মাধ্যমে নিরস্ত্রীকরণে উত্তর কোরিয়ার সদিচ্ছাকে পরখ করে নিতে চায় বলেই মনে করছেন তাঁরা৷