তিনি নির্দোষ, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জয়ার

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি পদে ফেরার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানালেন জয়। কলেজে তোলাবাজির অভিযোগ সমানে আসার পর জয়াকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর শুক্রবার সারা দিন ধরে তাঁকে দেখা যায়নি।

এদিন এই পদে সম্ভাব্য হিসেবে অনেকের নাম উঠে আসে। তবে সূত্রের খবর, জয়াই ফিরছেন ওই পদে।

গত এক সপ্তাহ ধরে কলেজে ভরতি প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক তোলাবাজির অভিযোগ উঠে আসছিল। সবকিছুর মূলে রয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি জয়া দত্ত। ৪ জুলাই এক সূত্রের খবর জানা যায় জয়াকে তাঁর পদ থেকে সরানো হয়েছে। সূত্রের খবর ছিল, কলেজে কলেজে ভরতি প্রক্রিয়ায় যে অনিয়ম, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে তাতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলেই মনে করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলেই মনে করা হয়েছিল৷

- Advertisement -

সূত্রের খবরে মনে করা হচ্ছিল আদতে জয়াকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রীকেই বার্তা দিতে চাইছিলেন। সেদিনের খবরের পর থেকে এই প্রসঙ্গে জয়া দত্ত বা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও শুক্রবার তাঁর প্রতিক্রিয়া মিলেছে। সেখানেই স্পষ্ট হয়েছে যে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি এখনও নিজের পদ ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজের হয়ে তিনি আবেদনও করেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “জয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের হয়ে আবেদন করছে। মুখ্যমন্ত্রী ওঁকে বিষয়টা পর্যালোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।” অর্থাৎ জয়ার ভাগ্য এখনও ঝুলেই রইল।

তিনি আদৌ থাকবেন না সরানো হবে তা এখনও পরিষ্কার হল না। শিক্ষামন্ত্রীর একাধিক বার্তা সত্ত্বেও যখন কাজ হয়নি, তখন হস্তক্ষেপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং৷ কলেজগুলি ঘুরে দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শুক্রবারেও তিনি আচমকা হানা দিয়েছিলেন আলিপুর কলেজে। পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ ভরতি প্রক্রিয়ায় কেউ টাকা চাইলে তৎক্ষণাৎ থানায় জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷

শিক্ষাক্ষেত্রে অরাজকতার ছবি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে৷ আর তাতেই বেজায় চটেছেন মমতা।

Advertisement ---
---
-----