হীরা কেনার সময় ক্রেতাদের ‘ইনভয়েস’ চাইতে হবে

চেন্নাই: আসলের নাম করে নকল হীরা বিক্রি হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন জুয়েলাররা৷ তারা চাইছেন হীরা কেনার সময় যেন ক্রেতারা ‘ইনভয়েস’ দেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করে৷ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে অনের রত্ন ব্যবসায়ীর অভিমত, একেবারে আসল হীরার মতো দেখতে বাজারে সিন্থেটিক হীরে ছেয়ে গিয়েছে যা আসল হীরের তুলনায় অনেক কাম দাম৷

সিন্থেটিক হীরের দাম আসল হীরের চেয়ে ২৫-৩০ শতাংশ কম ৷ উন্নত বাজারে তা সিন্থেটিক হীরে বলেই লোকের কাছে বিক্রি করা হয়৷ কিন্তু এদেশে আসল হীরে বলেই কেউ কেউ চালাতে চায় বলে জানান এনএসি জুয়েলার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন অননথ পদ্মনাভন৷ একথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, বিদেশের বাজারে এগুলিকে ‘সিন্থেটিক’ হীরা বলা হয়ে থাকে৷ এই ধরনের সিন্থেটিক হীরের আলাদা বাজার রয়েছে৷ কিন্তু সেটাই তারা একেবারে আসল হীরা দামেরল বিক্রি করে থাকে৷ যেহেতু সাধারণ ক্রেতারা এই দুধরনের হীরা ফারাক বোঝে না তাই জুয়েলার্সদের পক্ষ থেকে মেশিন বসান দরকার যা আসল না নকল কোন ধরনের হীরা তা চিহ্নিত করতে সক্ষম৷

এছাড়া ভূম্মিডি বাংগারু জুয়েলার্স সম্প্রতি ‘SYNTHdetect’ নামে মেশিন এনেছে যা আসল না বকল হীরা তা চিহ্নিত করে দিতে সক্ষম৷ বীরের গহনা এই পরীক্ষা করার মাধ্যমে চিহ্নিত হয় তা আসল না সিন্থেটিক বলে জানান অমরেন্দ্রন ‘SYNTHdetect’.

এক্ষেত্রে এক জুয়েলারের পরামর্শ হল ক্রেতার নাম করা জুয়েলারের কাছ থেকে কিনলেও যেন ইনভয়েস দেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করা উচিত ৷ এখনও কিছু ক্রেতা কর ফাঁকি দিতে বিল ছাড়াই হীরে কেনার প্রবণতা থাকে৷

একটি সমীক্ষা অনুসারে সিন্থেটিক হীরের বাজার রয়েছে এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে ৭৪৯৬ ডলার এবং আশা করা হচ্ছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি চলবে৷

Advertisement
---
-----