মেডিক্যালে অনশনকারীদের পাশে কবীর সুমন

ছবি সৌজন্যে ফেসবুক

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে হাজির হননি কবীর সুমন৷ চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন শরীর ভালো নেই তাঁর৷ কিন্তু তারপর ২৪ ঘণ্টা কাটেনি৷ রবিবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হলেন তিনি৷ অনশনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে কথা বললেন৷ সাহস জোগালেন৷ বার্তা দিলেন পাশে থাকার৷

আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটে ২০টির কম আসন পাবে তৃণমূল, ভবিষ্যৎবাণী মুকুলের

কিন্তু এই বার্তার পাশাপাশি কবীর সুমন আরও এক বার্তাও যে দিলেন তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট৷ সে বার্তা ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে বড় মুখ করে যে নেতা বলেছিলেন, কবীর সুমন চিঠি লিখে জানিয়েছেন অসুস্থ বলে আসতে পারবেন না-তাঁকে৷ তৃণমূলকে৷ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বটে৷ এদিন সুমন সাফ জানান, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন৷ তাঁর পিছনে কোনও পার্টি নেই৷ তাই তাঁর কথা শোনারও কেউ নেই৷ এ কথায় কী বোঝাতে চাইলেন সুমন! তিনি তৃণমূলে ব্রাত্য? নাকি তৃণমূল তাঁর কাছে ততটাও গুরুত্বপূর্ণ নয়!

- Advertisement -

আরও পড়ুন: তবে কি মে মাসেই ভোট! দিলীপের মন্তব্যে জল্পনা

অনশনকারীদের মধ্যে থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, ‘কবীরদা’ ‘মমতাদি’কে যদি এ বিষয়ে একটু বলেন৷ অনুরোধ শুনে খানিকটা চটেই যান এই প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ৷ রাগত স্বরে বলেন, ‘‘ওঁর সঙ্গে আমার সেই সম্পর্ক নেই৷ তোমার কি মনে হয় আমরা রোজ টেলিফোনে কথা বলি! লড়াই করেছি একসঙ্গে৷ ওসব বিগত… আমি তো আর সরকার নই৷ করবটা কী আমি! এতগুলো ছেলে অনশন করছে ওদের কথা যদি কেউ না শোনে তুমি আমি বললে শুনবে!’’

আরও পড়ুন: medical hunger strike! ‘শেষ কর্পদক পর্যন্ত লড়ব’

কবীর সুমন এদিন এ কথাও বলেন, তিনি সাংসদ হয়েছিলেন সুশীল সমাজের প্রার্থী হিসাবে৷ কেউ তাঁর বন্ধু নন৷ তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস অনশনকারীদের দিয়ে এসেছেন তিনি৷ রবিবার মেডিক্যালে কবীর সুমনকে দেখে অনেকেরই মনে এসেছে তাঁরই লেখা গানের কলি-‘‘…গদির লড়াই চলুক যেখানে চলে, হৃদয়ে লড়াই স্বাধীনতা স্বাধীনতা৷’’ তবে শনিবার শারীরিক অসুস্থতার জন্য ধর্মতলায় তৃণমূলের সমাবেশে না যাওয়া এবং পরদিনই মেডিক্যাল কলেজে উপস্থিতি কিন্তু ভালোই বুঝিয়ে দিয়েছে কবীর সুমনের মনে আজ কোন স্বাধীনতার লড়াই৷

আরও পড়ুন: ‘দিদির পুলিশ’কে গাছতলায় বসে খৈনি বানাতে পরামর্শ দিলীপের

Advertisement
---