ক্যানিং: অবশেষে দেহ সৎকার করতে রাজি হল মৃতার পরিবার। পুলিশের আশ্বাসে মৃতদেহ সৎকার করতে যাচ্ছে মৃতার আত্মীয়রা। সোমবার সকালেও দেহ আগলে বসেছিল বাবা-মা। পরে পুলিশ এসে তাদের বোঝানোর পর তাঁরা রাজি হন। সব দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে দেহ আগলে চলছিল বিক্ষোভ।

(সর্বশেষ আপডেট 04:30pm)

এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি কাকদ্বীপে। ঘটনার পর দু'দিন কেটে গিয়েছে। এখনও দেহ আগলে চলছে বিক্ষোভ। পাশাপাশি, সোমবার ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে কাকদ্বীপে।

শনিবারের ঘটনার পর থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল কাকদ্বীপ। সব দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন গ্রামবাসী ও মৃতার পরিবার পরিজন।  দাবি, ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতার করা হলে তবেই দেহ সৎকার করা হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে খুনের কথা কবুল করেছে। তার ঘর থেকে মেয়েটির রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ধৃতকে জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

শুক্রবার বিকেলে কাকদ্বীপের হরিপুরের বাসিন্দা ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী টিউশন পড়তে যান কাকদ্বীপ হাসপাতাল মোড়ের কাছে। মা মেয়েকে নিতে সেখানে গিয়ে শোনেন, মেয়ে আগেই বাড়ি ফিরে গিয়েছে। তিনি বাড়ি ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেলে খোঁজ শুরু করেন। পরে ওই রাতেই সুভাষনগর গ্রামে ওই ছাত্রীর প্রায় বিবস্ত্র দেহ মেলে। শনিবার সুভাষনগর থেকে গোপাল হাজরা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

----
--