পেশার সম্মানে বুলডোজারে চেপে বিয়ে করতে গেলেন এই ব্যক্তি

বেঙ্গালুরু: অযান্ত্রিক নামের একটি ছোটগল্প লিখেছিলেন সাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ। যা নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন ঋত্বিক ঘটক। গল্প এবং সিনেমায় উঠে এসেছিল ট্যাক্সির প্রতি একজন ট্যাক্সি চালকের ভালোবাসা। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে অভিযান নামের এমনই একটি ছবি করেছিলেন সত্যজিৎ রায়।

আরও পড়ুন- কেন গোপনে সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন বেনজির ভুট্টো?

সেই ছবিই দেখা গেল দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে। ফুটে উঠল বুলডোজারের উপরে চালকের প্রেম। যা থেকে নিজের রুটিরুজি আসে সেই জেসিবি গাড়িতে করে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে গেলেন এক ব্যক্তি। এই অভিনব বিয়ের শোভাযাত্রা দেখে অবাক গোটা গ্রাম।

- Advertisement -

কর্ণাটকের দক্ষিণ কান্নাড়ের পুত্তর জেলার ঘটনা। পেশায় জেসিবি গাড়ি চালক চেতন। নিজের পেশাকে খুবই শ্রদ্ধা করেন। ভালোবাসেন সেই জেসিবি গাড়িটিকে। বিয়ের মতো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়েও সেই জেসিবি গাড়িটিকে সঙ্গ ছাড়া করতে চাননি তিনি। স্ত্রী মমতাকে সেই গাড়ির সামনে বসিয়েই বিয়ের জন্য বরাদ্দ বাড়িতে পৌঁছালেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিয়ের পরে নিজের বাড়িতেও ফিরেছেন স্ত্রী মমতাকে ওই গাড়ির সামনে বসিয়েই।

পুত্তুরের সান্তায়ার গ্রামের বাসিন্দা চেতন। বন্ধুদের কাছে বিয়েতে নিজের জেসিবি গাড়ি নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বন্ধুরাও রাজি হয়ে গিয়েছেন চেতনের এই অভিনব ইচ্ছায়। ফুল, মালা এবং বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছিল বুলডোজারটি। বিয়ের পরে বাড়ি ফেরার সময়ে ওই গাড়ির সামনেই বসে পড়েন নবদম্পতি। প্রথমদিকে চেতন নিজেই গাড়িটি চালাচ্ছিল। সান্তায়ার গ্রামে ঢোকার আগে বন্ধুদের হাতে ছেড়ে দেয় গাড়ির স্টিয়ারিং। নিজে বসে পড়েন স্ত্রী মমতার পাশে ওই গাড়ির সামনের অংশে।

চেতন-মমতা

নব দম্পতিকে বিয়ের পরে এই উপায়ে ঘরে ফিরতে দেখে স্বভাবতই উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছিল। সমগ্র বিষয়টি উপভোগ করেছেন গ্রামের সাধারণ মানুষেরা।

Advertisement ---
---
-----