বন্ধু এমজিআরকেও একদিন দল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন করুণানিধি

চেন্নাই: ২৭ জুলাই, ২০১৮৷ শারীরিক অবস্থার অবনতির জেরে চেন্নাইয়ের কাবেরী হাসপাতালে ভরতি করতে হল করুণানিধিকে৷ ঘটনাচক্রে সেই দিনই তিনি ডিএমকের সভাপতি পদে পূরণ করেছিলেন ৫০ বছর৷

দ্রাবিড় মুনেত্রা কাঝাকাম৷ ৫০ বছর আগে এই দলের নেতা সিকে আন্নাদুরাই ছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী৷ পদে থাকাকালীন তাঁর আকস্মিক প্রয়াণ হয়৷ গভীর শূন্যতা তৈরি হয় তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে৷

আরও পড়ুন: ৯৬ বছরে প্রথম পরীক্ষা দিয়েই ফুল-মার্কস আম্মার ঝুলিতে

- Advertisement -

সেই সময় দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন ভিআর নেন্দুচেজিয়ান৷ সকলেই ভেবেছিলেন আন্নাদুরাইয়ের জায়গা দল ও সরকারের হাল ধরবেন তিনিই৷

কিন্তু দলের ভবিষ্যৎ চিত্রনাট্যটা অন্যভাবে সাজিয়েছিলেন এম করুণানিধি৷ দলের অন্যনেতাদের সহায়তায় তিনিই হয়ে উঠেছিলেন সর্বেসর্বা৷ বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে৷ হয়েছিলেন ডিএমকে-র সভাপতি৷ তার পর তাঁকে আর ওই পদ থেকে কেউ সরাতে পারেনি৷ কেউ তাঁর বিপক্ষে আওয়াজ তুলতে পারেননি৷

আরও পড়ুন: কাঠুয়াকাণ্ড: প্রধান সাক্ষীর উপর অত্যাচার, মামলার শুনানি সু্প্রিম কোর্টে

ডিএমকে-র সভাপতি ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার জন্য করুণানিধিকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছিলেন এমজি রামচন্দ্রণ৷ সেই এমজিআর-কেও দল থেকে তাড়িয়ে দিতে দু’বার ভাবেননি এই দ্রাবিড় কলাইনার৷

যদিও তার পর এমজিআররের কাছে বারবার পর্যদুস্ত হয়েছেন৷ কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি৷ বরং ফিরে এসেছেন স্বমহিমায়৷

আরও পড়ুন: দুর্নীতি দমন শাখার জেরার মুখে ইমরান খান

Advertisement
---