ফাইল ছবি

শ্রীনগর: ইসলামিক স্টেটের জায়গা নিতে চলেছে লস্কর-ই-তইবা? উপত্যকায় এক কাশ্মীরি যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধারের পর ক্রমশ এই প্রশ্নই দানা বাধছে নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যে৷

জঙ্গিদের হাতে অপহরণের দু’দিন পর গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হল এক কাশ্মীরি যুবকের দেহ৷ শুক্রবার সকালে জম্মু কাশ্মীরের হাজিন এলাকার একটি ফলের বাগানে একটি দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা৷ খবর দেওয়া হয় কাশ্মীর পুলিশকে৷ পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে৷

Advertisement

আরও পড়ুন: উপত্যকায় এনকাউন্টারে খতম জঙ্গি

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মনজুর আহমেদ৷ কাশ্মীরের বান্দিপোরা এলাকায় হাজিন এলাকার বাসিন্দা৷ দু’দিন আগে মনজুর ও তাঁর বাবা গুলাম মহম্মদ ভাটকে লস্কর জঙ্গিরা তুলে নিয়ে যায়৷ কোনরকমে তাদের ডেরা থেকে গুলাম পালাতে সক্ষম হন৷ তবে জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতে জখম হন তিনি৷ অন্যদিকে আইএস জঙ্গিদের কায়দায় ছেলে মনজুরের মুণ্ডচ্ছেদ করে লস্কর জঙ্গিরা৷

প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনার পিছনে উঠে এসেছে মহম্মদ সালেম পারে নামে এক জঙ্গির নাম৷ এর আগে ওই চত্বরে একাধিক কাশ্মীরিদের হত্যার ঘটনায় তার নাম সামনে এসেছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, দু’দিন আগে হাজিন এলাকায় গুলামের বাড়িতে ঢুকে বাবা ও ছেলেকে তুলে নিয়ে যায় লস্কর জঙ্গিরা৷

আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে চিনা ড্রাগনের থাবা

এই নিয়ে হাজিন এলাকায় এটি দ্বিতীয় ঘটনা৷ গত সোমবার এই এলাকা থেকে নাসের আহমেদ নামে এক কাশ্মীরিকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করে লস্কর জঙ্গিরা৷ পুলিশের অনুমান এলাকায় নতুন করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে অপহরণ করে হত্যার ছক কষেছে জঙ্গিরা৷ কারণ এই এলাকাতে একাধিক তল্লাশি অভিযানে সেনার গুলিতে মারা গিয়েছে জঙ্গিরা৷ তারপর থেকে হাজিনে জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত অনেকটাই কমে গিয়েছে৷ নতুন করে তারা ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে৷

----
--