হায়দরাবাদ: কংগ্রেসের বিরোধিতায় তৃণমূলের পাশেও থাকতে নারাজ টিআরএস নেতা তথা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। যার অর্থ হচ্ছে বিজেপি বিরোধী মহাজোটে সামিল হচ্ছে না আরও একটি অবিজেপি আঞ্চলিক দল।

বিজেপিকে রুখতে সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে একমঞ্চে আসার আহ্বান জানিয়েছিল কংগ্রেস। একই সুর শোনা গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। জোটের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তেও রাজি ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

মহাজোট ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন KCR

মহাজোট ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন KCR৷ এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাচ্ছেন আমাদের প্রতিনিধি Sou Sil সৌমেন শীল৷ বিস্তারিত প্রতিবেদন এই লিঙ্কে http://bit.ly/2FlEH8u

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले गुरुवार, १० जानेवारी, २०१९

এই জোটে সামিল হয়েছেসমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টির মতো যুযুধান দুই পক্ষ। লালুপ্রসাদের আরজেডি-ও এই জোটে রয়েছে। প্রথম দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিরোধী জোটের প্রধান মুখ ছিলেন। কিন্তু গত মাসে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে বদলে গিয়েছে চিত্রটা। বিরোধী জোটের প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন রাহুল গান্ধী।

চলতি মাসের ১৯ তারিখে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা রয়েছে তৃণমূলের। সেই সভায় কেসিআর-এর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তেমনই দাবি করে আসছে তৃণমূল। কিন্তু কংগ্রেস বিরোধী অবস্থানের কারণে সেই সভাতেও তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন না। এই বিষয়ে টিআরএস সাংসদ বি বিনোদ কুমার বলেছেন, “আমি জানি না তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেসিআরকে কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা। এই বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। সম্ভবত তিনি আমন্ত্রণ পেয়েছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী বা কংগসের কোনও নেতা সেই সভায় থাকলে উনি যাবেন না।”

তেলেঙ্গানায় কংগ্রেস প্রধান বিরোধী দল। রাজ্যের বিরোধী দলের শীর্ষস্তরের নেতাদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়া কেসিআর-র পক্ষে সম্ভব ম্নয় বলে জানিয়েছেন সাংসদ বি বিনোদ কুমার। একই সঙ্গে কোনও জোত গঠনেরও প্রশ্ন নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

টিআরএস মহাজোটের সঙ্গ ত্যাগ করায় স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়ে গেল মোদী বিরোধী জোট। এর আগে ওডিষার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজু জনতা দলের প্রধান নবীন পট্টনায়েক মহাজোটে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন। গত মাসেই এই দুই মুখ্যমন্ত্রীর একান্তে কথা হয়েছে। দু’জনেই অবিজেপি এং অকংগ্রেস জোট গঠনের পক্ষপাতী। দু’জনের ভাবনাতেও মিল রয়েছে বলে দাবি করেছেন টিআরএস সাংসদ বি বিনোদ কুমার।

--
----
--