কেডি সিংয়ের মামলায় সেবির কাছে গোপন রিপোর্ট চাইল আদালত

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আমানতকারীদের ফেরানো টাকার অঙ্কের পাশাপাশি বকেয়া অর্থের পরিমাণ জানতে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার কাছ থেকে হিসেব চাইল কলকাতা হাইকোর্ট।

বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা অ্যালকেমিস্ট, এতদিনে আদালত নিযুক্ত এক সদস্য কমিটির মাধ্যমে কত পরিমাণ টাকা আমানতকারীদের ফেরত দিয়েছে৷ আর কতই বা বকেয়া রয়েছে তার হিসেব হলফনামা আকারে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ইরান খুবই গুরুত্বপূর্ণ: জাপান

পাশাপাশি সেদিনই সেবিকে এই মামলা সংক্রান্ত তাদের গোপন রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে বলেছে কোর্ট। ৬ অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

তবে মুখবন্ধ গোপন রিপোর্টে এই সমস্ত ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর নামধাম প্রকাশ্যে না এনে গোপন রাখার আবেদন জানিয়েছেন আইনজীবী। সবপক্ষের বক্তব্য শুনে সোমবার ওই গোপন রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে বলেন বিচারপতি।

আরও পড়ুন: শামির জোড়া ধাক্কা, চায়ের বিরতিতে ইংল্যান্ড ১৬৩/৩

অন্যদিকে এদিন মামলা চলাকালীন অভিযুক্ত সংস্থার পক্ষের আইনজীবী শ্যামল সরকার আদালতে বলেন, আদালতের নিযুক্ত করা প্রাক্তন বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের এক সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে বকেয়া টাকা ফেরাতে কিছু ভুলত্রুটি হয়েছে। যে সমস্ত আমানতকারীদের অল্প টাকা প্রাপ্য ছিল, তাদের ভুলবশত আগে টাকা দিতে গেলে কমিটি টাকা আটকে দেয়। এখন তা বন্ধ রয়েছে৷ তাই আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: কোন পথে রাজ্য ঘুরবে বিজেপির রথ? নেতৃত্বের কাছে জানতে চাইলেন অমিত

তখন বেঞ্চ জানায়, যাদের টাকা আগে ম্যাচুরিটি হয়েছে, সেই ভাবে বকেয়া ফেরাতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ তাহলে কেন এমনটা করা হল? উত্তরে আইনজীবীর বক্তব্য, সংস্থার ক্লারিক্যাল ভুলের জন্য এটা হয়ে গিয়েছে। ৩৮০ জনকে ড্রাফটের মাধ্যমে বকেয়া অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে৷ আর ৪০০টা ড্রাফট কমিটিতে এসে পড়ে রয়েছে। একসদস্য কমিটির মাধ্যমে কিছু অর্থ আমানতকারীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বেশি লাভের আশাতেই বাড়ছে প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার

----
-----