কনফেশন প্রথা তুলে নিতে হবে চার্চ থেকে, দাবি মহিলা কমিশনের

নয়াদিল্লি : চার্চগুলি থেকে কনফেশন প্রথা তুলে দিতে হবে৷ এমনই দাবি করল জাতীয় মহিলা কমিশন৷ শুক্রবার কমিশন বলেছে এই কনফেশন প্রথার জন্য ব্ল্যাকমেল করার সংখ্যা বাড়ছে৷ বিশেষত নারীদের নিরাপত্তা থাকছে না৷ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা বলেন এই ধরণের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও যথাযথ তদন্ত দরকার৷

তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে মহিলা কমিশনের চার্চ থেকে কনফেশন প্রথা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব যথেষ্ট বিতর্কিত৷ সম্প্রতি কেরালা ও পাঞ্জাবে ২টি চার্চের পাদ্রীদের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভি‌যোগ নিয়ে তোলপাড় হয় দেশ৷ তারপরেই জাতীয় মহিলা কমিশনের রিপোর্ট সামনে আসে৷ ওই রিপোর্টে কনফেশন প্রথা তুলে দেওয়ার দাবি জানাোনো হয়৷

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাইয়ের প্রথম দিকে কেরলের একটি ‌চার্চে যৌন নি‌র্যাতনের ঘটনা ঘটে। মালানকারা অর্থোডক্স সিরিয়ান চার্চের ৫ বিশপের নামে অভিযোগ করেন৷ জাতীয় মহিলা কমিশন দোষীদের কড়া শাস্তি দেওয়ার দাবি জানায় পুলিশের কাছে৷

- Advertisement -

একই রকম ঘটনা ঘটে জলন্ধরের একটি চার্চে৷ প্রসঙ্গত, কনফেশন বা স্বীকারোক্তির সময়ে বলা গোপন তথ্যকে হাতিয়ার করেই ব্ল্যাকমেল করা হত মহিলাদের বলে জাতীয় মহিলা কমিশন জানাচ্ছে৷ রেখা শর্মা এক সর্বভারতীয় দৈনিককে জানিয়েছেন, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে দিয়ে ওই দুটি ঘটনার তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। কারণ ওই ধরনের ঘটনা কেরলে বাড়ছে।

কেরলের ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসে ‌যাওয়ার পরও চার্চ কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিসে একটি অভি‌যোগ জমা পড়ে। তারপরেই তদন্তে নামে পুলিস। কমিশনের চেয়ারপার্সন জানিয়েছেন যে অভিযোগ গুলি সামনে আসছে, তা হিমশৈলের মত৷ অধিকাংশই এখনও রাতের আঁধারে লুকিয়ে রয়েছে৷ খুব অল্প সংখ্যক ঘটনাই প্রকাশ্যে এসেছে৷

জাতীয় মহিলা কমিশন ইতিমধ্যে তাদের রিপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে চিঠি লিখেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী মানেকা গান্ধী, পাঞ্জাব ও কেরালার ডিজিপিদের৷

Advertisement
---