কোচি: বন্যায় রাজ্যটার এদিক-ওদিক অস্পষ্ট৷ ভাসমান কেরলের ক্ষতির পরিমান ঠিক কতটা, তা হিসেব করাও কঠিন৷ আপাতত প্রয়োজন অপরিসীম ত্রাণের৷ কিন্তু, কেন্দ্রের বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা সেই ত্রাণের খামতি কোনওভাবে পূরণ করতে পারবেনা বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ননের৷ তিনি

স্পষ্ট জানান, অন্তত ২০০০ কোটি টাকা কেন্দ্র না দিলে কেরল ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না৷ প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা চিঠি দিয়ে বিজয়নন জানান, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হোক৷ ৫০০ কোটি টাকায় কিচ্ছু হবে না৷

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী দফতর সূত্রে খবর, কেরলে ইতিমধ্যে ক্ষতির পরিমান ১৯,৫০০ কোটি টাকা ছুঁয়েছে৷ টানা বৃষ্টি হলে ক্ষতির পরিমান বাড়বে৷ জাতীয় জলবায়ু দফতরও আশার বানী দেয়নি৷ শনি,রবিবার টানা বৃষ্টি হবে কেরলে বলে জানান হয়েছে৷ পরিস্থিতি এক থাকলে ক্ষতির পরিমান কোথায় পৌঁছবে তা বলা কঠিন৷ প্রধানমন্ত্রী শনিবার বন্যা বিধ্বস্ত কেরলের পরিস্থতি পরিদর্শনের পর ১০০ কোটির বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫০০ কোটি করেন৷ পাশাপাশি বন্যা দুর্গতদের ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণ করেন৷ তবে, এই ঘোষণায় একেবারেই সন্তুষ্ট নন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নন৷

বন্যার গ্রাসে থাকা কেরলের ত্রাণ শিবিরে যেখানে খাদ্য সরবরাহের আকাল, যেখানে জামাকাপড়-ওষুধের খামতি দিনে দিনে বাড়ছে, সেখানে কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা ঘাটতি মেটাতে পর্যাপ্ত নয় বলে প্রশাসনের তরফে জানান হয়েছে৷ বিভিন্ন রাজ্য থেকে কেরলে ত্রাণ পৌছচ্ছে৷ গোটা দক্ষিণ বেল্ট অর্থাৎ কর্ণাটক,তামিলনাড়ু,অন্ধ্রপ্রদেশ উজার করেই কেরলের পাশে দাঁড়িয়েছে৷ দিল্লি,পুঁদুচেরি থেকে সাহায্য আসছে৷ বিদেশ থেকেও টাকা পাঠান হচ্ছে৷ যাতে সাহায্যের পরিমাণ আরও বাড়ে তার জন্য বন্যাবিধ্বস্ত কেরলকে ‘জাতীয় বিপর্যয়’ ঘোষণার দাবিও তুলেছেন রাহুল গান্ধি৷

----
--