কেটি পেরিকে ধর্ষণ করেছেন ডাক্তার লিউক

লস এঞ্জেলস : যৌন হেনস্থা নিয়ে একের পর এক হলিউডের অভিনেত্রীরা মুখ খুলছেন৷ #metoo ক্যাম্পেনের পর সাহস করে কেবল অভিনেত্রীরা ছাড়াও হলিউডের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রযোজনা সংস্থার সদস্যও নিজেদের হেনস্থার কথা জানিয়েছেন৷ সম্প্রতি আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী কেশা এবং ডাক্তার লিউকের মধ্যে আইনি বিবাদের মধ্যে হঠাৎই উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ কোর্টে জমা দেওয়া কয়েকটি নথিপত্রের থেকে জানা গিয়েছে, লেডি গাগাকে মেসেজ করে কেশা জানিয়েছিলেন, যে ডাক্তার লিউক, কেটি পেরিকে ধর্ষণ করেছেন৷ লেডি গাগা এবং কেশার টেক্সট মেসেজের কথপোকথন নিয়ে ইতিমধ্যে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে৷

কনভার্সেশনের কোথাও ডাক্তার লিউকের নাম লেখা নেই ঠিকই৷ তবে মেসেজে মেনশন করা ছিল, যে কেশাকে ধর্ষণ করেছেন, সেই রেকর্ডিং আর্টিস্টই কেটিকেও ধর্ষণ করেছেন৷ এর থেকেই সকলে ধারণা করে নিয়েছেন যে কেশা, লিউকের কথাই বলেছেন৷ ৩১ মার্চ, লিউকের আইনজীবি আদালতে যে ডকিউমেন্ট পেশ করেছিলেন, তাতে লেখা রয়েছে, ২০১৬ সালে ২৬ ফেব্রুয়ারি কেশা, লিউকের ওপর মিথ্যে অভিযোগ এনে লেডি গাগাকে মেসেজ করে জানিয়েছিলেন, যে লিউক কেবল কেশাকেই নয়৷ কেটি পেরিকেও ধর্ষণ করেছেন৷ এর আগেও কেশার অভিযোগ ছিল, লিউক তাঁকে নেশায় আচ্ছন্ন করে ধর্ষণ করেছেন৷

আরও পড়ুন: ফুটবল উত্তেজনায় ফুটছে সিনেপাড়া

কেশার এই অভিযোগের পর, লিউকের আইনি টিম নিজেদের স্টেটমেন্ট দিয়েছেন৷ তাদের কথামতো, কেটি পেরি নিজে জানিয়েছেন, “ডাক্তার লিউক কেটি পেরি ধর্ষণ করেননি৷ কেশার প্রতিটি অভিযোগ পুরোপুরি সাজানো, মিথ্যে৷ কেশা সাংঘাতিক মিথ্যেবাদী৷ ডাক্তার লিউকের বিরুদ্ধে প্রতিটি অভিযোগই মিথ্যে৷ কেশার কথাগুলি কেটি পেরি এবং ডাক্তার লিউক উভয়ের জন্যই অসম্মানীয়৷ লিউকের সম্মান নিয়ে যেভাবে ছিনিবিনি খেলেছে, সেটা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়৷”

আরও পড়ুন: ‘বহুবার গর্ভপাত করিয়েছি’ শাকিব সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য অপুর

লেডি গাগাকে, কেশা যে মেসেজগুলি করেন, তার ওপর ভিত্তি করে লেডি গাগা প্রেস কনফারেন্স ডেকে লিউকের বিরুদ্ধে নেগেটিভ কথা ছড়িয়েছিলেন৷ এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতেও লিউকের সম্বন্ধে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন৷ আদালতে জমা করা প্রতিটি ডকিউমেন্ট প্রকাশ্যে আসার পর ডাক্তার লিউকের আইনজীবি আরেকটি কেস জারি করেন৷ কেশার দায়িত্বহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা৷ এমনকি কেশা এও জানিয়েছিলেনএ, কেটি পেরি নাকি তাঁকে নিজে থেকে বলেছিলেন যে লিউক তাঁকে ধর্ষণ করেছেন৷ কেশা এবং লিউকের আইনি সমস্যা গত চার বছর ধরে চলছে৷ কেশা, লিউকের ওপর যৌন নিগ্রহের অভিযোগ এনেছিলেন৷ যার রায় এখনও আদালতের কাছ থেকে মেলেনি৷

----
-----