প্রার্থনার জন্য কেরলে গির্জা পরিষ্কার করছেন শিখরা

তিরুঅনন্তপুরম: ভেসে গিয়েছে সব৷ এখন নতুন করে তৈরির করার লড়াই কেরলের সামনে৷ খাবার নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই৷ এই পরিস্থিতিতে সরকারের সঙ্গে কেরলের মানুষের পাশে রয়েছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা৷ রয়েছে ইংল্যান্ডের খালসা এইড ইন্টারন্যাশনালের স্বেচ্ছাসেবকরাও৷ কেরালার বন্যার্তদের জন্য দিনরাত কাজ করে চলেছে।

আরও পড়ুন- কাশ্মীরের কুঁড়েঘরে আলো জ্বালাল ভারতীয় সেনা

প্রথমে এই সংস্থা প্রতিদিন ২০০০ মানুষকে খাবার বিতরণ করছিল। সম্প্রতি প্রত্যেকদিন প্রায় ১৫,০০০ মানুষকে তিন বেলা খাবার পরিবেশন করছে৷ এবার সামনে এল নতুন ছবি৷ আলেপ্পির একটি চার্চ পরিষ্কার করতে এগিয়ে এল কালসা এইডের স্বেচ্ছাসেবকরা৷

- Advertisement -

দুদিন ধরে এই গির্জা পরিস্কার করার কাজ চলে৷ যাতে এলাকার সাধারণ মানুষ নেরাত্তুপুরমের সেন্ট জনস মারাথোমা চার্চে প্রার্থনা করতে পারেন৷ এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেই এই কাজে হাত লাগিয়ে সম্প্রীতির অনন্য নজির তৈরি করলেন খালসা এইডের সদস্যরা৷

রবিবার যাতে ভালভাবে প্রার্থনা করতে পারেন বাসিন্দারা, সেজন্য শুক্রবার থেকে কাজ শুরু হয়৷ বন্যার জলে পুরোপুরি আবর্জনায় ভরে ছিল গির্জা প্রাঙ্গণ৷ দ্রুত সেই সব আবর্জনা সরিয়ে বসবাসযোগ্য করে তোলেন খালসা এইডের সদস্যরা৷

এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজন প্রার্থনা করতে পারছিলেন না৷ সেই ব্যবস্থাই করে দিল খালসা এইড, যাতে রবিবারের প্রার্থনায় সবাই অংশ নিতে পারেন৷

আরও পড়ুন- জঙ্গিদলে যোগ দেওয়ার প্রবণতা এই বছরেই সবথেকে বেশি

খালসা এইডের আরেক সদস্য অমরপ্রীত সিং বলেন গির্জার অবস্থা খুব কারাপ ছিল৷ মানুষ কিছুতেই এখানে প্রবেশ করতে পারছিলেন না৷ সব আবর্জনা সরিয়ে যাতায়াতের জায়গা তৈরি হয়৷ তারপর ধীরে ধীরে প্রার্থনারও ব্যবস্থা করা হয়৷

গির্জা পরিস্কার করতে ২২ জন খালসা এইডের সদস্য হাত লাগান৷ শুধু গির্জা পরিষ্কারই নয়, গোটা কেরল জুড়েই ত্রাণের কাজ করছে এই সংস্থা৷

Advertisement
---