খেয়ামন – একটি অনন্য মাত্র বুটিক

বিশেষ প্রতিবেদন: আমাদের দেশ ভারতবর্ষে আজকের এই উন্নত ও বিবর্তিত সমাজে ফ্যাশন সবসময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে এবং আরও বলা যায় যে, আমাদের নিজেদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে যেখানে ফ্যাশন শিল্প সমৃদ্ধ হয়েছে প্রাশ্চাত্য এবং প্রথাগত ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ভারতবর্ষে এই শিল্পের বাণিজ্যিক বাজার ১০০০ কোটি টাকার ডিজাইনার পোশাকের এই মুহূর্তে ১,৬২,৯০০ কোটি টাকার বাণিজ্যিক চাহিদা রয়েছে এবং এই অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রয়েছে।

এবং এই চাহিদার প্রতিবছর 9.5% করে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর থেকে আমরা খুব সুন্দরভাবে বুটিক শিল্পের সম্ভাবনা ও সুযোগের কথা অনুমান ও বিশ্লেষন করতে পারি।  দেবযানী বসু তার অন্তরের রংয়ের ও আকাঙ্ক্ষার সংমিশ্রণে একটি বুটিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন যার নাম- খেয়ামন। খেয়ামনের বয়শ এক বছর। কিন্তু শে এই এক বছরেই নিজের কলাকৌশলির উদাহারন দিয়েছে নানান্ সফল প্রদর্শনির মাধ্যমে। মাত্র এক বছর বয়সেই অনেকগুলি এক্সিবিশনের মধ্যেক দিয়ে ফ্যাশন দুনিয়ায় উজ্জল প্রবেশ করেছে। সৌজন্যে ও অনন্য নান্দনিক ছোঁয়াতে তার রয়েছে নজরকাড়া সংগ্রহ।

রক্তিম বর্ণের পোশাক: এই পোশাক সম্পূর্ণ সুতির তৈরি যা উচ্চ তাপমাত্রায় আমাদের জন্য আরামদায়ক হয় এটি নতুন মাত্রার কারিকুরিতে তৈরি এই ধরনের পোশাক আপনাকে এনে দেবে সারাদিনের স্বাচ্ছন্দ। পিংপং ব্রেসলেট, এমব্রয়েডারড লকেটে সজ্জিত এবং সুষম ঔজ্জ্বল্যের আপনার পরিহিত লাল রাঙা এই পোশাকটি সকলের চোখের নজর কাড়বেই আপনি হয়ে উঠবেন সমবেত গুঞ্জনের কারণ।

- Advertisement -

হলূদ বর্নের পোষাক: কিভাবে নিজস্ব ভাবনায় তৈরি হলুদ রাঙা এই পোশাকটি আপনার মনে একটা উদ্দীপনা তৈরি করবেই, যেখানে সাদা ও হলুদ বর্ণের সমাবেশে কোথাও কোন বেমানান মনে হয়না। এই পোশাকে বক্ষের মধ্যস্থলে সাদা এমব্রয়ডারির কাজ আপনার পোশাকে একটা কমনীয়তা এনে দেবে। এটা ভারতীয় ও প্রাশ্চাত্য পোশাকের একটা ধ্রুপদী সমন্ধে যা প্রথাগত ঐতিহ্যকে বহন করছেnতুলবে। খেয়ামনের এই পোশাকটি চারুতা,শোভনীয়তা এবং সুরুচিসম্মতার একটি দৃষ্টান্ত যা ভিড়ের মধ্যে করে তুলবে আপনাকে কেন্দ্রপাত্রিক।

বেগুনী বর্ণের পোশাক: এই পোশাক বিশেষভাবে পাটজাত তন্তু দিয়ে বোনা এবং এর কাটাকুটি নকশা এবং লালবর্ণের এমব্রয়ডারির কাজ মানসম্মত করেছে।সূক্ষ্ম রক্তিম ও বেগুনী নীল রংয়ের সংমিশ্রণ এই পোশাক শুধুমাত্র মার্জিতই নয়, আপনার ব্যক্তিত্বে একটা কর্তৃত্ব ব্যঞ্জক ভাব ফুটিয়ে তোলে।
নিচে নামানো কলার এবং তার সঙ্গে ঐ সাইড বেল্ট অবশ্যই গর্বের সাথে সব বয়সের নারীদের জন্য উপযুক্ত মাত্রা বহন করবে।

ফ্যাশন ডিজাইনার দেবজানি বসু তার অসাধারণ রচনাশৈলী উদাহরণ দিয়েছে তার হাতে তৈরী অপূর্ব পোশাক এর মাধ্যমে। আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি উপর ভিত্তি করে তিনি মহিলাদের দিয়েছেন আধুনিক অথচঐতিহ্যগত পোষাক ধারণ করার এক সুবর্ণ সুযোগ। এই সুযোগ কে কাজে লাগাতে এবং এই সুন্দর পোশাক গুলি নিজের করে নিতে চলে আসুন খেয়ামান বুটিক।

Advertisement
---