টেরাকোটা আর মধুবনী-ক্রিয়েটিভ জুয়েলারির পসরা নিয়ে পুজোয় ‘কোষ’

কলকাতা:  শুধু মাত্র বাংলার খাঁটি মাটি আর টুকরো কাঠ। তাই দিয়েই চমৎকার শিল্প। মধুবনী পেন্টিং থেকে ফ্লোরাল মোটিফ। তাঁর ভাঁড়ে রয়েছে সব কিছু। জুয়েলারি ডিজাইনার সুদত্তা রায় চৌধুরীর ‘গহনার বাক্সের’ খোঁজ দিলেন মানসী সাহা।

s3

২০১৬-এর দুর্গা-শক্তির আগমনীর সঙ্গে সুদত্তার উদ্ভাবনী গহনার এসেছে পেশাদারিত্বের ছোঁয়া। ছোট থেকেই ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। হঠাৎ একদিন নিজের জন্যই রং-তুলি নিয়ে একটা কুর্তি তৈরি করে ফেললেন। সঙ্গে ম্যাচিং গহনা। সবার কাছ থেকে বেশ প্রশংসা পান সঙ্গে উৎসাহ। অনেকে আবার আবদার করে বসেন ‘বানিয়ে দিতে হবে’। এরপরই গহনা তৈরির কথা ভাবেন সুদত্তা।

- Advertisement -

তবে আর পাঁচজনের মতো নয়! সুন্দর চকচকে পলিশ করা গহনা তো সবাই পরেন। তাই সুদত্তার সিগনেচার হল আনপলিশ একটু অগোছালো। ইউএসপি টেরাকোটা ও মধুবনী পেন্টিং। যা নিয়ে পুজোয় আপনাকে সাজাতে পসরা সাজিয়ে বসে আছেন সুদত্তা।

আসলে সাজ পোশাক যেমনই হোক না কেন একখানি নান্দনিক গহনা তুলে ধরতে পারে আপনাকে সবার মাঝে আলাদা করে। আর সেই কাজটি করছে ‘কোষ’ (সুদত্তার জুয়েলারি ওয়েভসাইট)। ‘কোষে’র কালেকশনের আছে শান্তিনিকেতনী ধাঁচ। নানা রঙের কাঠের দুল-হার তাতে মধুবনীর ছোঁয়া। টেরাকোটা লকেট লাগানো পলতের উপরে রঙিন সুতোয় গাঁথা নেকপিস। দুল। সব মিলিয়ে এবার পুজোয় ট্র্যাডিশনাল গয়না নিয়ে আপনার অপেক্ষায় রয়েছেন সুদত্তা রায় চৌধুরী।
s
সুদত্তার কথায়, “ যেহেতু এই কাজে কোনও ছাঁচ আমি ব্যবহার করিনি তাই সময় একটু বেশি লেগেছে। আমার কালেকশনের স্পেশ্যালিটি  ‘র’-চার্ট। সেটা আমি প্রতিটি গহনায় রেখেছি। ”। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “ বিশেষ কোনও স্তরের কথা মাথায় রেখে আমি জুয়েলারি তৈরি করিনি। আমি চাই আমার তৈরি গহনায় সবাই সাজুন। তাই মোটামুটি তিনশো থেকেই শুরু হচ্ছে আমার কালেকশন”।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে দক্ষিণ কলকাতার ত্রিবর্ণ সংঘেরর কাছে আনন্দম অ্যাপার্টমেন্টে সুদত্তার পসরা সাজিয়ে বসছে তাঁর কালেকশনের চলবে ৩০ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া আপনার ‘kosh’ সাইটে গিয়েও সেরে ফেলতে পারেন আপনার পুজোর জুয়েলারি শপিং।
তবে জানিয়ে রাখি, শুধু গহনা নয়। সুদত্তা তাঁর কালেকশনে রেখেছেন বিশেষ কিছু কুর্তিও। যেখানে রয়েছে ফ্রেবিকের কাজ।

Advertisement ---
-----