একটানা বৃষ্টিতে জলবন্দী নেপাল, মৃত বেড়ে ৮

ফাইল ছবি

কাঠমাণ্ডু: একটানা মুষলধারে বৃষ্টি চলছে নেপালে৷ বৃষ্টির ফলে নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে৷ ফলে আশেপাশে এলাকা প্লাবিত হয়ে বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিচ্ছে প্রায়ই৷ গত বুধবার রাত থেকে কাঠমান্ডু সহ নেপালের বেশিরভাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

বন্যায় আটকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ৷ তাদের উদ্ধারে নেমেছে নেপাল সেনা৷ জলবন্দী এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ এলাকায় নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে সেনা৷ তবে নেপালের আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এজন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এই বন্যা ও ভূমিধসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর অন্যতম ভক্তপুর। জেলার বেশিরভাগ এলাকাই জলমগ্ন৷ সেখানকার আরানিকো জাতীয় সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ায়, অন্যান্য এলাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ভূমিধসের কবলে পড়ে ভক্তপুরের চাঙ্গুনারায়ণ পৌর এলাকায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিধসের কবলে পড়ে একটি বাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন৷ অস্থায়ী আশ্রয় শিবির তৈরি করা হয়েছে৷ নিচু এলাকার বাড়ি ঘরের একতলা জলমগ্ন৷ বেশিরভাগ দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

প্রায় ৩০০০ মানুষ বন্যাকবলিত এলাকায় রয়েছেন৷ তাদের সরানো হয়েছে অন্যত্র৷ পাশাপাশি, রূপানদেহি এলাকায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে৷ কপিলাবাস্তু, বাগলাং, ঝাপা জেলায় একজন করে বাসিন্দাদের মৃত্যু হয়েছে৷ শ খানেক বাড়ি জলের তোড়ে ও কাদাধসে ভেঙে গিয়েছে৷ প্রায় ৭০০ জন নিরাপত্তা কর্মী, বিপর্যয় মোকাবিলা দল, ৬০জন সশস্ত্র পুলিশ ও নেপাল সেনা উদ্ধার কাজে নেমেছে৷ এছাড়াও রেড ক্রশের তরফ থেকে উদ্ধার কাজ চালানো হচ্ছে৷

----