ঝড়ে বিপর্যস্ত ফিলিপিনস, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

ম্যানিলা: পরপর বেশ কয়েকটি ভূমিধসে বিপর্যস্ত ফিলিপাইনস৷ নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৬ জন৷ নিখোঁজ আরও ২৩৷ ক্রান্তীয় ঝড় ‘কাই-তাক’ এর প্রভাবে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়৷ সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রের খবর, শনিবার ফিলিপাইনসের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে কাই-তাক। ঝড়ের প্রভাবে বন্যা ও ভূমিধসের কবলে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়৷

এএফপি জানাচ্ছে, রবিবার বিলিরান প্রদেশের একটি ছোট দ্বীপে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এর আগে শনিবার, লেইতে ও সামার দ্বীপে তাণ্ডব চালায় কাই-তাক। জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা সূত্রে খবর, শনিবার কাই-তাকের তাণ্ডবে ফিলিপাইনসের ৩৯টি শহর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে৷ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি রাস্তা ও সেতু। বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন ৮৭ হাজার ৭০০ মানুষ। রবিবার বিকেলে কাই-তাক’এর গতিবেগ ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।
রবিবারও বাতিল করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট৷ দ্বীপটির বিভিন্ন বন্দরে ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ আটকা পড়েছেন এবং প্রায় ৮৮ হাজার বাসিন্দাকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বিলিরানের গভর্নর গেরার্ডো এস্পিনা জুনিয়র জানিয়েছেন, ভূমিধসে নিহতরা ডিজেডএমএম রেডিওতে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েছিলেন। আরো ২৩ জন নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন তিনি। এনডিআরআরএমসি-র মুখপাত্র রোমিনা মারাসিগান বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও স্থানীয় প্রশাসন তিনজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে৷ বাকি সংখ্যা খতিয়ে দেথা হচ্ছে৷

ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পর প্রদেশটির অনেক এলাকা ডুবে গেছে, ফসল ও পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার ফিলিপাইনের পূর্বে ভিসায়াসে আঘাত হেনে কাই-তাক ওই এলাকার দ্বীপ ও উপকূলীয় শহরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এসব শহরের মধ্যে তাকলোবান ছিল। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে ঘূর্ণিঝড় হাইয়ানের তাণ্ডবে তাকলোবানের আট হাজার বাসিন্দা মারা যান৷

----
-----