জামাত নেতাদের ফাঁসির দাবিতে সরব মুক্তিযোদ্ধারা

ঢাকা: তৃতীয়বার টানা ক্ষমতায় আসারে পরেই জামাত ইসলামিকে ‘যুদ্ধ অপরাধ’ সংক্রান্ত মামলায় বিচারের কাঠগড়ায় তুলতে মরিয়া শেখ হাসিনার সরকার৷ এই সংগঠনটি উগ্র ইসলামিক চিন্তাধারা নিয়ে চলে৷ ১৯৭১ সালের ‘মুক্তিযুদ্ধ’ চলাকালীন একাধিক জামাত শীর্ষ নেতাকে গণহত্যা ও ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে ফাঁসি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷

বিবিসি বাংলা জানাচ্ছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার জন্য দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচারের জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সংক্রান্ত আইনের খসড়া তৈরি করেছেন এবং মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে৷ আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে আইন এখন আছে তাতে জামায়াতে ইসলামীর বিচার করা যায় না৷ এর জন্য আইনটি সংশোধন করা হবে।

জামাত ইসলামি ও বিএনপি একই জোটের দুই শরিক দল৷ গত কয়েক বছরে যুদ্ধ অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় গঠিত বিশেষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে বিচার হয় জামাত নেতৃত্বের৷ মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর হয়েছে মতিউর রহমান নিজামী,আলি আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, এবং মহম্মদ কামারুজ্জামানের৷ এছাড়াও বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকেও যুদ্ধ অপরাধ মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে৷

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, জামাত ইসলামি যে যুদ্ধ অপরাধের সাথে জড়িত ছিল সেটা আদালতের তিনটি রায়ে বেরিয়ে এসেছে। তখনই দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাদের বিচার করার একটা দাবি উঠেছিল।

--
----
--