হলদিয়া: বিজেপির কোন রীতি নীতি নেই। কাজ করার কোনও জায়গা নেই। ধর্মীয় অশান্তি তৈরির কাজে ব্যস্ত সব সময়। মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কাজের কোনও দিক-দিশা নেই। নতুন আর পুরানোদের মধ্যে মনোমালিন্যর কারণে স্থায়ীভাবে কোনও পদস্থ ব্যক্তি কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না৷ রবিবার এভাবেই দেখা গেল বিস্ফোরক লক্ষ্মণ শেঠকে৷ একই সঙ্গে প্রাক্তন এই সাংসদ আরও বিস্ফোরক মন্তব্য, আমরা রাম, রহিমের মধ্যে অশান্তি তৈরি করতে চাই না। তাই আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজেপি দল ছাড়লাম।

হলদিয়ার এক সময়ের দাপুটে সিপিএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠ৷ কিন্তু ২০১৬ সালে দল তাঁকে বের করে দেয়৷ এরপরই হাজারো জল্পনা৷ সেই জল্পনায় জল ঢেলে ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি৷ মনে করা হয়েছিল অধিকারী গড়ে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে বিজেপি তুরুপের তাস করবে জেলার এই দুঁদে নেতাকে৷ কিন্তু দল তো সেভাবে গুরুত্বই দেয়নি লক্ষ্ণণ শেঠকে, এ অভিযোগ করেছেন তাঁর অনুগামীরাই৷

তাই বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন৷ তাঁর সঙ্গে দল ছাড়েন কয়েকশো অনুগামী৷ লক্ষ্ণণের দাবি, “বিজেপি দলে কোনও গনতন্ত্রই নেই৷ ভুল নিয়ম নীতি নিয়েই চলছে গেরুয়া দল৷’’ সূত্রের খবর, বিজেপি ছাড়ার কথা সর্বসমক্ষে ঘোষণা করার আগে হলদিয়ায় নিজের অনুগামীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করেন তিনি৷ এরপরই এই সিদ্ধান্ত৷

তবে বিজেপি ছাড়লেও রাজনীতি ছাড়বেন না, সে কথা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন লক্ষ্ণণ শেঠ৷ নিন্দুকেরা বলছেন, বাম গেল, রাম গেল-এবার কার হাত ধরবেন লক্ষ্ণণ সেটাই দেখার৷ তবে এ নিয়ে লক্ষ্ণণ শেঠ এখনই মুখ খুলতে চাইছেন না৷ যদিও লক্ষ্ণণ-ঘনিষ্ঠ মহলে জোর জল্পনা কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন তিনি৷ তবে এসব নিছক জল্পনা৷ এখনই এ তত্ত্বে শিলমোহর না বসানোই ভালো৷

https://youtu.be/9Gr-1Ocscw8

----
--