মাত্র ১৪ বয়সেই এই পেশায় জড়িয়েছিলেন ট্রাম্প তনয়া

বিশেষ প্রতিবেদন: বিশ্ব বাণিজ্যিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কন্যা ইভাংকা ট্রাম্প। নিজামের শহরে দাঁড়িয়েই ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ভারতের আতিথেয়তায় বেশ আপ্লুত ট্রাম্প তনয়া।

এই ইভাংকার রয়েছে তাক লাগানো জীবন বৃত্তান্ত। পড়াশোনা থেকে পেশা সব জায়গাতেই বরাবর নিজের আভিজাত্যের ছাপ ফেলতে সফল হয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন- ভারতের মাটি ছুলেন ট্রাম্প তনয়া

- Advertisement -

১৯৮১ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহন করেন ইভাংকা। মাত্র ১৪ বছর বয়সেই মডেলিং-এর জগতে হাতেখড়ি হয় ইভাংকার। আমেরিকার বেশ কিছু জনপ্রিয় সংস্থার হয়ে মডেলিং করেছিলেন তিনি। স্কুল ছাড়ার পর এই পেশা থেকেও ইতি টানেন তিনি।

স্কুলের পাঠ চুকিয়ে ভরতি হয়েছিলেন পেনলসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় ছিল অর্থনীতি। ২০০৪ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক হন তিনি। এক বছর পর যোগ দিয়েছিলেন পারিবারিক ব্যবসায়। দীর্ঘদিন তিনি সামাল দিয়েছেন সংস্থার কার্যনির্বাহী সহ-সভাপতি বা এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ। এই সময়েই আর্থিকভাবে বিপুল লাভবান হয়েছিল ট্রাম্প অর্গানাইজেশন। বহু লাভজনক চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন ইভাংকা। তাঁর আমলেই রাজধানী ওয়াশিংটনের ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরকে বিলাসবহুল হোটেলে রূপান্তর করার ছাড়পত্র আদায় করতে সক্ষম হয় ট্রাম্পের সংস্থা। এই কারণেই তাঁকে ট্রাম্প হোটেলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বলেও মনে করা হয়।

নিজামের শহরে ইভাংকা

মডেলিং দিয়ে শুরু হয়েছিল কেরিয়ার। রিয়েল এস্টেট সংস্থার সাফল্যের পরেও ফ্যাশন জগতকে ভুলে যাননি ইভাংকা ট্রাম্প। নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু করেন। যার ব্যপ্তি ছড়িয়ে রয়েছে সমগ্র বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

সপরিবারে ট্রাম্প তনয়া

কলেজ জীবনে প্রথম প্রেম আসে ইভাংকার জীবনে। গ্রেগ হার্শ নামের এক উদ্যোগপতির সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিলেন ট্রাম্প তনয়া। ২০০১ সালের সেই সেই প্রেম কাহিনী অবশ্য খতম হয়ে যায় ২০০৫ সালে। সেই বছরেই ইভাংকার জীবনে আসে জারেদ কুশনের। প্রথমে ডেটিং দিয়ে শুরু হলেও পরে গভীরতা বৃদ্ধি পায় সম্পর্কের। ২০০৮ সালে বিচ্ছেদ ঘটলেও মজবুত ছিল সম্পর্কের ভিত। ২০০৯ সালে পরিণয়ে আবদ্ধ হন জারেদ-ইভাংকা। বয়সে ১০ বছরের বড় পতি জারদের সঙ্গেই এখন সুখের সংসার ইভাংকার। তাঁদের এক কন্যা এবং দুই পুত্র রয়েছে।

Advertisement
---