মাদ্রিদ: প্রীতি ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনার হয়ে নামতে পারেন লিওনেল মেসি৷ গোটা ফুটবিশ্বের কাছে এটাই খবর ছিল৷ ইতালির বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় পর মেসির মাঠে ফেরা নিয়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা৷তবে শেষ মুহূর্তে পালটাতে চলেছে চিত্র৷

মাদ্রিদে প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধেও নামা হচ্ছে না মেসির৷ জানা গিয়েছে মাসলে চোটের জন্য এই ম্যাচে নামবেন না আর্জেন্তাইন অধিনায়ক৷

আর্জেন্তাইন কোচ স্যামপাওলি সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে অবশ্য জানিয়েছিলেন, ‘শেষ দুদিন ধরে দলের সঙ্গে প্রস্ততি সেরেছেন মেসি৷ ফলে স্পেনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর হাতেই আর্মব্যান্ড থাকতে চলেছে৷’ এরপর এদিন শুরু থেকেই মেসির মাঠে নামা নিয়ে চূড়ান্ত ধোঁয়াশা তৈরি হয়৷

ফুটবল মহলেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কী মেসি গুরুতর কোনও চোট পেয়েছেন৷ আর সেই চোট মিডিয়ার থেকে লোকাতেই এমন লুকোচুরি৷চিত্রটা পরিষ্কার না হলেও ইঙ্গিত সেই দিকেই৷

ইতালির বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলি ম্যাচের আগে নিজের নাম তুলে নেন মেসি৷পরে জানা যায় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য ইতালির বিরুদ্ধে তাঁকে দলে রাখা যায়নি৷মঙ্গলবার রাতের ম্যাচের আগে হঠাতই জানা গেল স্পেনের বিরুদ্ধও এদিন অনিশ্চিত লিও৷

শেষ ম্যাচে ইতালি বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবশ্য মেসিকে ছাড়া জয় পেতে কোনও সমস্যা হয়নি আর্জেন্তিনার৷ সেই ম্যাচে মেসিহীন নীল-সাদা আর্মি ইতালিকে হারায় ২-০ ব্যবধানে৷ইতালির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে মেসিহীন আর্জন্তিনা নজর কাড়তে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধের শেষ পনেরো মিনিটে দুটি গোল করে ম্যাচ পকেটে পুরে নেয়৷

৭৫ মিনিটে ইতালির বক্সে জটলা থেকে বাঁ পায়ে শটে বুঁফোকে পরাস্ত করে গোল করেন এভার বেনেগা৷দশ মিনিটের ব্যবধানে ফের ইতালির দুর্বল রক্ষণের সুযোগ নিয়ে ব্যবধান বাড়ায় আর্জেন্তিনা৷ বক্সের ভিতর থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে পোস্টে বাঁ-কর্ণারে বল জড়িয়ে দেন ম্যানুয়েল লানজিনি৷

অন্যদিকে বিশ্বকাপে মেসি যে চাপে থাকবে সেটা লুকোচ্ছেন না তাঁর জাতীয় দলের কোচ সামপাওলি৷ সামনের সপ্তাহের তাঁর প্রকাশ পেতে চলা বইয়ে মেসিকে ব্যাখা করতে গিয়ে আর্জেন্তাইন কোচ লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপ নামের এক রিভালভার যেন মেসির মাথায় ধরা রয়েছে৷’ পক্ষান্তরে মেসির কোচ বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে ঠিক কতটা চাপে রয়েছেন লিও৷

বিশ্বকাপের শুরুর আগে একের পর এক ম্যাচে লিও’র দলে না থাকা নিয়েও ফুটবলবিশ্ব তৈরি হচ্ছে আশঙ্কার চাপ৷

----
--