ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স৷ ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ হারিয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপ জিতে নিল গ্রিজমান-এমবাপেরা৷ ১৯৯৮-এর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল ফ্রান্স৷ ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্যাপ্টেন হিসেবে ফ্রান্স বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছিলেন দিদিয়ের দেশঁ৷ ২০ বছর পর কোচ হিসেবে দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিলেন দেশঁ৷ সেই সঙ্গে জার্মান কিংবদন্তি ফ্রাঙ্ক বেকেনবাওয়ারকে ছুঁলেন দেশঁ৷

নাটক! লরিসের মুর্খামিতে ব্যবধান কমাল ক্রোয়েশিয়া৷ ফরাসি গোলকিপারের পা থেকে বল কেড়ে গোল করে ২-৪ করেন ক্রোয়েশিয়ার মানজুকিচ৷

Advertisement

৫৯ মিনিটে পল পোগবার দুরন্ত শটে ৩-১ করল ফ্রান্স৷ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশঁর ছেলেরা৷

ডিফেন্সের শক্তি বাড়াতে মিডফিল্ডার কান্তেকে তুলে বড় চেহারার ডিফেন্ডার এনজুজিকে নামালেন ফ্রান্সের কোচ দেশঁ৷

মাঠে দর্শক ঢুকে পড়ল৷ কয়েক মুহূর্ত ম্যাচ বন্ধ রাখলেন রেফারি৷

 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রোয়েশিয়া৷

প্রথমার্থে পিছিয়ে থেকেও ক্রোয়েশিয়া বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলে উরুগুয়ের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবে৷ কারণ ১৯৩০ প্রথম বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল উরুগুয়ে৷

প্রথমার্ধে বল পজিশনেও ফরাসিদের থেকে এগিয়ে ছিল ক্রোটরা৷ ৬১ শতাংশ বল দখল ছিল পেরিসিচ-মদ্রিচদের৷ আর ৩৯ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছিল দেশঁর ছেলেরা৷

প্রথমার্ধের শেষ পাঁচ মিনিটে বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া৷ কিন্তু তা গোলে কনর্ভাট করতে পারেননি পেরিসিচরা৷

১৯৭৪-এর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমার্ধে তিন গোল হল৷ ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া মেগা ফাইনালে প্রথমার্ধে ২-১ এগিয়ে থেকে বিরতি গেল গ্রিজমান-এমবাপেরা৷

পেনাল্টি থেকে ২-১ করল ফ্রান্স৷ পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেন গ্রিজমান৷ রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৩৮ মিনিটে ফের এগিয়ে গেল ফ্রান্স৷ পেরিসিচের হাত লাগায় হ্যান্ড বল দেন রেফারি৷ আর্জেন্তাইন রেফারি প্রথমে পেনাল্টি না-দিলেও ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের আবেদনে সাড়া  দিয়ে ভার-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি৷

মাত্র ১০ মিনিটে সমায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া৷ পেরিসিচের দুরন্ত গোলে ২৮ মিনিটে ১-১ করে ক্রোয়েশিয়া৷

১৮ মিনিটে গ্রুিজমানের ফ্রি-কিক থেকে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়া৷ মানজুকিচের মাথায় লেগে নিজের জালে বল ঢুকে যায়৷

প্রথম থেকে উত্তেজনায় ভরপুর বিশ্বকাপ ফাইনাল৷ দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে৷

ফ্রান্স: লরিস, পাভার্দ, ভারানে, উমতিতি, হার্নান্ডেজ, পোগবা, কোন্তে, মাতুইদি, গ্রিজমান, জিরুদ ও এমবাপে৷

ক্রোয়েশিয়া: সুভাসিচ, ভাসালকো, স্টিনিচ, লভরেন, ভিদা, রাকিটিচ, মদ্রিচ, ব্রোজোভিচ, পেরিসিচ, মানজুকিচ ও রেবিচ৷

----
--