ভোপাল: ডিজিটাল দুনিয়ায় দাপট থাকলেই যে ভোটের বৈতরণী পার করা যাবে না তা বুঝতে পারল কংগ্রেস। সেই কারণেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হল সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হওয়ার নির্দেশিকা।

চলতি মাসের ২ তারিখে মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটির পক্ষে থেকে জারি করা নির্বাচনের নয়া নির্দেশিকা। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল নির্বাচনে টিকিট পেতে হলে অবশ্যই দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া। অন্যথায় ভোটে লড়ার স্বপ্ন ছাড়তে হবে।

Advertisement

যদিও সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার লিখিত বিবৃতি দিয়ে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। যদিও নতুন নোটিশ বা বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছুই লেখা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে যে গত ২ সেপ্টেম্বর জারি করা ১২৭২/১৮ নির্দেশকা বাতিল করা হল।

নয়া নির্দেশ

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নেতা কর্মীদের উদ্দেশে কংগ্রেসের রীতিমতো ফতোয়া জারি করা হয়েছিল৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় যাদের অগণতি ফলোয়ার তারাই হবেন টিকিট পাওয়ার দাবিদার৷ তাই শুধু ময়দানে নেমে জনসংযোগ বাড়ালেই হবে না, সোশ্যাল মিডিয়াতে বাজিমাত করতে হবে৷

ওখানেই শেষ নয় চাপানো হয়েছিল একগুচ্ছ শর্ত। যা হল- নেতাদের ফেসবুক পেজে কম করেও ১৫ হাজার লাইক থাকা চাই৷ আর ট্যুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যা পাঁচ হাজার হওয়া চাই৷ এছাড়া কংগ্রেস নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দলের সরকারি ফেসবুক পেজের পোস্ট শেয়ার করতে হবে৷ আর কোনও ট্যুইট করা হলে সেটা রিট্যুইট করতে হবে৷

পুরনো নির্দেশিকা

যদিও সেই চাপ আর নিতে হচ্ছে কংগ্রেস নেতাদের। কারণ সপ্তাহের শুরুতে দেওয়া নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে দল।

রাজ্যে ভোটের মুখে জনসংযোগ বাড়াতে কংগ্রেস ও বিজেপি দুই দলেরই প্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া৷ তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে বিজেপির ‘সাইবার ওয়ারিওর’ বনাম ‘রাজীব কি সিপাহী’ আইটি সেলও কোমর বেধে নেমে পড়েছে ময়দানে৷

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় আধিপত্য বিস্তারে কংগ্রেসের তৎপরতা দেখে তেমন হেলদোল নেই বিজেপির৷ বিজেপির আইটি

----
--