হাইকোর্টের রায়ে স্বস্তি পেল ৪৬ বিএসএনএল কর্মী

চেন্নাই: অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস৷ অফিসের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে, মহিলা সহকর্মীর পাঠানো গুরু গম্ভীর মেসেজের প্রত্যুত্তরে ইমোজি পাঠিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন ৪৬ বিএসএনএল কর্মী৷ তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও দায়ের করা হয়৷ কিন্তু শুক্রবার মাদ্রাজ হাই কোর্টের রায়ে হাসি ফোটে ওই বিএসএনএল কর্মীদের মুখে৷

সূত্রের খবর, বিচারপতি এসএসসুন্দ স্পষ্ট জানিয়ে দেন , প্রত্যেকেরই নিজের অনুভূতি এবং বক্তব্য প্রকাশের অধিকার রয়েছে৷ তুতিকোরিনে বিএসএনএলের ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার বিজয়লক্ষ্মী একটি ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করেছিলেন, যেখানে কোম্পানির ৩ গ্রাহক নিজেদের মতামত ব্যক্ত করে৷ এর প্রত্যুত্তরে অনেকেই নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে৷ কেউ কেউ আবার স্মাইলি-ইমোজিও পাঠায়৷ আর এতেই ক্ষুব্ধ হন বিজয়লক্ষ্মী৷

তিনি তামিলনাড়ু প্রহিবিশন অব হ্যারসমেন্ট অব উওমেন অ্যাক্ট, শিডিউলড কাস্ট অ্যান্ড শিডিউলড ট্রাইব(প্রিভেনশন অব অ্যাট্রোসিটিস) অ্যাক্ট এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যাক্ট- এর ভিত্তিতে অভিযোগ দায়ের করেন৷ এই অভিযোগের ওপর ভিত্তি করেই বিএসএনএল-এর ওই ৪৬ কর্মীর বিরুদ্ধে (যারা ইমোজি পাঠিয়েছিল প্রত্যুত্তরে) তুতিকোরিন সাউথ ইনস্পেক্টর একটি এফআইআর দায়ের করে৷ আর এরপরেই কর্মীরা আদালতের দ্বারস্থ হয়৷

Advertisement
---