ভালো দলকেই সমর্থন করবেন মমতা

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লোকসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে৷ আগামী বছর নির্ধারিত সময়ে ভোট হবে, নাকি এগিয়ে আসবে নির্বাচন, তা নিয়ে তর্ক বিতর্কের শেষ নেই৷ পিছিয়ে নেই রাজনৈতিক দলগুলিও৷ তারাও নিজেদের মতো করে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত৷

সেই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ একদিকে তিনি যখন রাজ্যবাসীর উন্নয়নের জন্য তিনি জেলায় জেলায় ঘুরছেন, তেমন দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন৷ চেষ্টা করছেন দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ঐকমত্য তৈরি করতে৷

আরও পড়ুন- ফাইনালে অ্যান্ডারসন, নাদালের বিরুদ্ধে এগিয়ে জোকার

- Advertisement -

কিন্তু তা বলে কি রাজনীতির বাইরের আর কোনও খবর রাখেন না? নিশ্চয় রাখেন৷ আর তার প্রমাণ পাওয়া গেল শুক্রবার৷ রাজ্য প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, মমতা বাংলার মানুষেরর সঙ্গে যেভাবে মেলামেশা করেন, মনে হয় তিনি যেন পরিবারেরই এক সদস্যা৷ বাড়ির বড় দিদি৷ তাই, বাঙালির আবেগ বিশ্বকাপ ফুটবলে তিনি দূরে থাকবেন, তা যেন কল্পনার বাইরে৷

তাই বাংলার সাধারণ ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে কৌতুহল জাগ্রত হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে কাকে সমর্থন করবেন? ফ্রান্স না ক্রোয়াশিয়া?

শুক্রবার নবান্ন থেকে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এক সাংবাদিকের উৎসাহী প্রশ্ন, ‘‘দিদি ফাইনালে কোন দলকে সাপোর্ট করবেন?’’ মমতা বলেন, ‘‘যে ভালো খেলবে আমি তার সমর্থক৷’’ একটু থেমে দিদি আবার বলেন, ‘‘তবে ক্রোয়েশিয়া খুব ভালো খেলছে৷ ছোট্ট একটা দেশ৷ খুব পরিশ্রম করে ফাইনালে উঠেছে৷’’

বিশ্বকাপ ফুটবলের সফল আয়োজকদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রথম সারিতেই আসবে৷ সারা দেশের সাথে কলকাতায় অনুর্ধ-১৭ বিশ্বকাপ হয়েছিল গত বছর৷ ‘ভারতীয় ফুটবলের মক্কায়’ বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছেন তিনি৷ প্রশংসা পেয়েছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফানটিনো এবং সেক্রেটারি জেনারেল ফাতমা সামোউরার থেকে৷

যে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন বাম আমলে তৈরি হয়েছে যেকথা অনস্বীকার্য৷ কিন্তু বাংলার গর্ব ওই স্টেডিয়ামেই কলঙ্কের ইতিহাস তৈরি হয়েছিল বাম আমলেই৷ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন অখন বিকেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন৷ অনুর্ধ-১৭ বিশ্বকাপ উপলক্ষে তাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছেন মমতা৷ বিশ্বকাপ ফাইনালে জয়ী ইংল্যান্ডের অনুর্ধ-১৭ দলের হাতে সেই কাপটিও তুলে দিয়েছেন মমতা৷ পাশে ছিলেন জিয়ান্নি ইনফানটিনো৷

ফিফার কর্তাব্যক্তিরা যতদিন কলকাতায় ছিলেন, বুঝেছেন, এ শহর শুধু ব্রাজিল-আরর্জেন্টিনার নয়, আদতে ফুটবলের৷ সব খেলার সেরা বাঙালীর ফুটবল, তা প্রমাণ করেই ছেড়েছেন মমতা৷

আরও পড়ুন: ‘এখন শুধু একে অপরকে চেনার পালা’

Advertisement ---
---
-----