ধর্মরাজও দেখলেন দিদি-কেষ্টর ‘উন্নয়ন’

বাসুদেব ঘোষ, সিউড়ি: সং সাজলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। একদম অবাক হবেন না। ঘটনায় কোনও আজগুবি গল্প নয়। ধর্মরাজ পুজোয় দিদির সঙ্গে ভাই ‘কেষ্ট’-র সং-এর দেখা মিলল সেখানেই।

দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেক সভাতেই তাঁর কেষ্ট ভাইকে সাবধানবানী শোনাতে দেখা গিয়ছে। কিন্তু কেষ্ট চলেন আপন চালে। কখনও তিনি চড়াম চড়াম ঢাক পেটান। কখনও গুর বাতাসা খাওয়ান।

আরও পড়ুন: ওজন কমাতে হলে এই ফল খান

এরই মাঝে বিপক্ষকে হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। ‘সাচ্চা’ কর্মীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্য কোনও এক সভা থেকে সতর্কও করেন৷ এরপর আবার যে কে সেই।

বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেন, এসব উপরে উপরে হুমকি। তলে তলে বিপক্ষকে উড়িয়ে দেওয়ার তোল্লাই। সবমিলিয়ে দিদি-ভাইয়ের পার্টনারশিপ বেশ ভালোই। এ হেন দিদি-ভাই জুটির দেখা মিলল বীরভূমের সিউড়িতে ধর্মরাজ পুজোর শোভাযাত্রায়।

আরও পড়ুন: টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বসহায়ক গোষ্ঠীর সম্পাদকের বাড়িতে ভাঙচুর

রীতি মেনে ধর্মরাজ পুজোকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর সং বের হয় সিউড়ি মালি পাড়া থেকে। দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে এই ধর্মরাজের পুজো। সেই মেলার পুজোতেই রীতি মেনে গুরু পূর্ণিমার দিন পূজিত বাবা ধর্মরাজ। পুজো উপলক্ষে সং বের হয়। সেই সং এই উঠে এলো রাজ্যে ঢাক পিটিয়ে দলের উন্নয়নের প্রচারক ‘অনুব্রত মণ্ডল’। দেখা মিলল ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের’ সঙ্গেও। সঙ্গে ছিলেন নরেন্দ্র মোদীও। অন্যান্য দেব দেবী। তবে মূল আকর্ষণ ছিল অনুব্রত মণ্ডল এবং মমতার সং।

এদিন অনুব্রতের চারপাশে হাজির ছিল চড়াম চড়াম ঢাক। মোট ২৫ টি সং বের হয়ে সারা শহর পরিক্রমা করা হয়। উদ্যোক্তা গৌতম মালাকার বলেন, “প্রতি বছরই আমরা সং বার করি, তারই মধ্যে এবার নতুন কিছু ভাবনা আমাদের।” “ একইসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষের কাছে এই সব মুখ গুলি খুবই জনপ্রিয় তাই, মানুষকে একটু আনন্দ দিতে এই ভাবনা আমাদের।”

আরও পড়ুন: তালা দিয়ে শিক্ষিকাকে স্কুলে আটকে রাখায় অভিযুক্ত স্কুল

----
-----