ঘরের মাঠে বায়ার্নের বিরুদ্ধে ড্র করল ম্যান ইউ

বায়ার্নের বিরুদ্ধে ভিডিচের দুরন্ত গোল ৷

ম্যান ইউ–১     বায়ার্ন মিউনিখ–১
(ভিডিচ ৫৮)  (সোয়েনস্টাইগার ৬৬)
ওল্ড ট্র্যাফোর্ড: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করে খুশি ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ৷ মঙ্গলবার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ডেভিড মোয়েসের মুখে হাসি ন’ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি ৷ প্রথর্মাধ্ব গোল শূন্য ভাবে শেষ হলেও দ্বিতীয়ার্ধ্বে ১৩ মিনিটে ভিডিচের দুরন্ত হেডে এগিয়ে যায় ম্যাঞ্চেস্টার ৷ গ্যালারিতে ম্যান ইউ সমর্থকদের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল তাঁরা কতটা তৃপ্ত ৷ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ক্লাবের দুঃস্বপ্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাড়া করেনি ঠিকিই ৷ কিন্তু, এদিন তাদের মুখের হাসি যে এত দ্রুত মিলিয়ে যাবে তা হয়তো ভাবেননি ম্যান ইউ ৷ মাত্র ন’ মিনিটের ব্যবধানে বায়ার্নের হয়ে গোল শোধ করে মোয়েসের মুখে হাসি কেড়ে নিলেন সোয়েনস্টাইগার ৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছ’টি ম্যাচে এটি চতুর্থ গোল সোয়েনস্টাইগারের ৷ এদিন গোল করে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড থেকে বায়ার্নকে অ্যাডভান্টেজ এনে দিলেও তিক্ততার সঙ্গেই মাঠ ছাড়তে হল তাঁকে ৷ ৯০ মিনিটে রুনিকে কড়া ট্যাকেল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এই জার্মান মিডফিল্ডার ৷ ফলে ম্যাচের অতিরিক্ত তিন মিনিট ১০ জনে খেলে বায়ার্না ৷ একই সঙ্গে বুন্দেশলিগা চ্যাম্পিয়নদের জন্য খারাপ খবর ৯ এপ্রিল আলিয়াঞ্জ এরিনায় ফিরতি লেগে খেলতে পারবেন না সোয়েনস্টাইগার ৷ ফলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই মিড ফিল্ডারকে ছাড়াই নামতে হবে পেপ গুয়ার্দিওলাকে ৷ যদিও অ্যাওয়ে ম্যাচ গোল করার অ্যাডভান্টেজ পাবে বায়ার্ন ৷
প্রথম থেকেই এদিন মোয়েসের দলকে চেপে রাখে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা ৷ প্রথম ৪৫ মিনিটে প্রায় ৮০ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখে বায়ার্ন ৷ এক হাতে রবেনের দুরন্ত শট আটকান ম্যান ইউ গোলকিপার ডেভিড ডি গিয়া ৷ দ্বিতীয়ার্ধ্বে আহত রায়ান গিগসকে তুলে নিয়ে শিনজি কগাওয়াকে নামান মোয়েস ৷ বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে থাকাকালীন বায়ার্নের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত রেকর্ড ছিল এই জাপানির ৷ কগাওয়া নামতে বাড়তি মোটিভেশন পান রুনিরাও ৷ ম্যান ইউ-র আক্রমণ আরও জোরাল হয় ৷ ৫৮ মিনিটে রুনির কর্নার থেকে হেডে গোল করে ম্যান ইউকে এগিয়ে দেন ভিডিচ ৷ ৬৬ মিনিটে সমতা ফেরান জার্মান মিড ফিল্ডার সোয়েনস্টাইগার ৷

Advertisement
---