বিশ্বকাপ থেকে সব থেকে বেশি আয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটির

মস্কো: আক্ষরিক অর্থেই রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, চেলসি, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মতো ফুটবল জায়ান্টদের টেক্কা দিয়ে গেল পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যাঞ্চেস্টার সিটি৷ সবাইকে পিছনে ফেলে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে সর্বোচ্চ আয় করল তারা৷

‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ বেনিফিট প্রোগ্রাম’এ সব থেকে বেশি লাভবান ম্যান সিটি৷ বিশ্বকাপে সৌজন্যে তাদের কোষাগারে ঢুকতে চলেছে ৩.৯ মিলিয়ন পাউন্ড৷ অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে পঁয়ত্রিশ কোটি টাকা ফিফার কাছে থেকে পেতে চলেছে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি৷

আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধে স্বাধীন ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বজয়ের অপেক্ষা

- Advertisement DFP -

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী একজন ফুটবলরের জন্য দিন পিছু ৬ হাজার ৪০০ পাউন্ড পাবে তাঁর ক্লাব৷ বিশ্বকাপে ম্যান সিটির সব থেকে বেশি ১৬ জন ফুটবলার অংশ নিয়েছেন৷ সুতরাং তাঁদের জন্য দৈনিক বরাদ্দ বাবদ ক্লাবের হাতে আসছে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ৷

বিশ্বকাপ থেকে আয়ের নিরিখে ম্যান সিটির পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ৷ তাদের পকেটে ঢুকতে চলেছে ৩.৮ মিলিয়ন পাউন্ড৷ তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেলসি৷ তারা পাচ্ছে ৩.৫ মিলিয়ন পাউন্ড৷

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ‘থার্ড বয়’ বেলজিয়াম

মোট ৩৮৬টি ক্লাব ফিফার এই প্রকল্পে টাকা পেতে চলেছেন৷ সার্বিকভাবে প্রিমিয়র লিগ ক্লাবগুলির আয় হতে চলেছে বেশি৷ ম্যান সিটি ছাড়া তালিকার প্রথম দশে রয়েছে আরও দুই প্রিমিয়র লিগ ক্লাব৷ এক্ষেত্রে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে টপকে গিয়েছে হ্যারি কেনের টটেনহ্যাম৷ চতুর্থ স্থানে থাকা টটেনহ্যাম পাচ্ছে ৩.৩ মিলিয়ন পাউন্ড৷ ইউনাইটেড পেতে চলেছে ২.৯ মিলিয়ন পাউন্ড৷ তারা রয়েছে তালিকার সপ্তম স্থানে৷

৩.২ মিলিয়ন পাউন্ড অর্থ বরাদ্দ হয়েছে মেসির বার্সেলোনার জন্য৷ তারা পয়েছে পাঁচ নম্বরে৷ নেইমারের প্যারিস সাঁ জা রয়েছে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে৷ তাদের আয় ৩.১ মিলিয়ন পাউন্ড৷ মোনাকে, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও জুভেন্তাস রয়েছে প্রথম দশের শেষ তিনটি স্থানে৷ তাদের জন্য ফিফার বরাদ্দ যথাক্রমে ২.৬, ২.৩ ও ২.২ মিলিয়ন পাউন্ড৷

আরও পড়ুন: ক্রোয়েশিয়ার সুপার কোচের প্রিমিয়র ভবিষ্যত নিয়ে জল্পনা

প্রথম দশের বাইরে থাকলেও লিভারপুল, আর্সেনাল ও সাউদাম্পটনের আয় হতে চলেছে যতাক্রমে ২.১, ১.৯ ও ০.৮ মিলিয়ন পাউন্ড৷

Advertisement
----
-----