মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন, মৃত্যুদণ্ড বাবার

ভোপাল: সন্দেহ ছিল স্ত্রীর উপরে। যার শিকার হতে হয়েছিল নাবালিকাকে। নিজের ছয় বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করেছিল জন্মদাতা। অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

গত বছরের মার্চ মাসের ১৫ তারিখে ঘটনাটি ঘটেছিল মধ্যপ্রদেশে। চলতি সপ্তাহের সোমবার সেই মামলার রায় শুনিয়েছে আদালত। রায়ে এই ঘটনাটিকে বিরলের মধ্যে বিরলতম বলেও উল্লেখ করেছেন বিচারক।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম কুমুদিনি প্যাটেল। ৪২ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে সন্দেহের চোখে দেখত। স্ত্রীর গর্ভের সন্তানকেও নিজের বলে মানতে নারাজ ছিল সে। এই নিয়ে দাম্পত্য কলহ ছিল নিত্যদিনের বিবাদ।

প্রতীকী ছবি

এর মাঝেই বড় হয়ে উঠছিল ছোট্ট মেয়েটি। কাটিয়ে ফেলেছিল জীবনের ছয় ছর। ছোট্ট মেয়েকে দেখেও মায়া হয়নি কুমুদিনির। মনের মধ্যে জোরাল হয়ে বসেছিল সন্দেহ। যার কারণে বলি হতে হয় সেই মেয়েটিকে। নিজের বাবার হাতেই খুন হতে হয় তাকে। নৃশংসতা এখানেই শেষ হয়নি। প্রথমে ওই ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় কুমিদিনি। ধর্ষণের পরে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে নিজের মেয়েকে।

ময়নাতদন্তে ধর্ষণ করে খুনের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। এতকিছুর পরেও মেয়েটিকে নিজের সন্তান বলে মানতে নারাজ ছিল অভিযুক্ত। করা হয় ডিএনএ পরীক্ষা। প্রমাণ হয়ে যায় মৃত নাবালিকা অভিযুক্ত কুমুদিনির সন্তান। সব দিন বিচার করে অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত।