ফের ব্যাংক প্রতারণা, একাধিক ঋণ নিয়ে ফেরার অপরাধী ধৃত

নয়াদিল্লি : এ যেন আরেক নীরব মোদী, মেহুল চোকসির গল্প৷ আটত্রিশ বছরের অমিত ভার্মার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে৷ ইতিমধ্যেই এই পাঁচ বছরে তাঁর নামে দায়ের হয়েছে প্রতারণার ৮টি মামলা৷ দিল্লি-এনসিআর এলাকা জুড়ে তাঁর অবাধ প্রতিপত্তি বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷ সেই কুখ্যাত অমিত এবার পুলিশের জালে৷

দিল্লি পুলিশের ইকনমিক অফেন্স উইংস ও সিবিআইএর কাছে তাঁর নামে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে৷ সেই অমিত ভার্মাকে শাকারপুর থেকে দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছে৷ এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ রয়েছে৷

এক সাংবাদিক সম্মেলনে দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার রাম গোপাল নায়েক জানান সিবিআইয়ের কাছে অমিতের নামে ৮টি অভিযোগ ও দিল্লি পুলিশের ইকনমিক অফেন্স উইংসের কাছে দুটি অভিযোগ রয়েছে৷ এই ব্যক্তিকে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘোষিত অপরাধী জারি করা হয়েছে৷ এর বিরুদ্ধে ৬টি অভিযোগের ক্ষেত্রে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ৷

- Advertisement -

কমিশনার আরও জানান, অমিত একা নয়, তার সঙ্গে এই প্রতারণায় কাজ করত আরও ৪ জন৷ ইতিমধ্যেই সেই ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ অমিত, তার বন্ধু নিতিন অরোরা, তাঁর স্ত্রী ইশিতা অরোরা, সন্দীপ খেরা ও বিনোদ অরোরা এই চক্রে যুক্ত৷

বিনোদ অরোরা ভুয়ো তথ্য দিয়ে কাগজ পত্র বানাত৷ সেই বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করত৷ বিভিন্ন ফ্ল্যাট ও জমির ভুয়ো দলিল বা ইতিমধ্যেই বন্ধক রাখা জমির দলিল নিয়ে ব্যাংকের কাছে যেত৷ নতুন করে তৈরি হত দলিল, বা সেগুলোই আবার নতুন করে বন্ধক রাখা হত৷ সেই টাকা নিয়ে বেপাত্তা হয়ে যেত এই অপরাধী চক্র৷ গত দু বছর ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল অমিত ভার্মা৷ অবশেষে গ্রেফতার করা গেল তাঁকে৷

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নয়ডার ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র থেকেও একাধিকবার এই চক্র বিভিন্ন নামে ঋণ নিয়েছে৷ তারপর থেকেই ফেরার হয়ে যায় তারা বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

Advertisement
---