পাবজির নেশায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও সন্তানকে ছেড়ে দিলেন স্বামী

পাবজির নেশায় বুঁদ ছোট থেকে বড়৷ অনলাইন এই খেলার নেশায় এতটাই মগ্ন পড়ুয়ারা যে বিভিন্ন মহল থেকে এটিকে ব্যান করার দাবি জানানো হয়েছে৷ পাবজির আসক্তি শুধু পড়াশোনায় ক্ষতি করছে তা নয় প্রভাব ফেলছে সম্পর্কেও৷ সাম্প্রতিক যে খবর চারিদিকে ঘুরছে তা তাজ্জব বনে যাওয়ার মতোই৷ পাবজির কারণে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও সন্তানকে ছেড়ে দিলেন এক ব্যক্তি৷

এমনই খবর ফেসবুক পোস্টে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে পাবজি খেলাটি শেখান তাঁর এক ভাই৷ তারপর থেকে সময় পেলেই হাতে মোবাইল নিয়ে পাবজি খেলতেন৷ নেশা এতটাই গ্রাস করে যে নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু অনলাইন এই গেমে মগ্ন থাকতেন৷ সংসারের কোনও কাজ ঠিকমতো করতেন না৷ যার ফলে স্ত্রীর সঙ্গে নিত্য অশান্তি লেগেই থাকত৷ ঝামেলা বাড়তে বাড়তে তা তিক্ততার জায়গায় চলে যায়৷ হঠাৎ ওই ব্যক্তি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও সন্তানকে ছেড়ে চলে যান৷

যদিও ফেসবুক পোস্টে ওই ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে৷ কারোর নাম সেখানে প্রকাশ করা হয়নি৷ ফলে খবরটির সত্যতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে৷ তাছাড়া খবরটির সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ মেলেনি৷ এটাও হতে পারে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ভুয়ো৷ তবে অনলাইন গেমের কারণে সংসার ভেঙেছে এমন নজির আগেও আছে৷

পাবজির প্রতিপক্ষ অনলাইন গেম ফর্টনাইটের কারণে ২০০র বেশি ডিভোর্স হয়েছে মার্কিন মুলুকে৷ পাবজির কারণে সংসার ভাঙার খবর এখনও অবধি তেমন একটা শোনা না গেলেও গেমটি যে পড়ুয়াদের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর বলে জানাচ্ছে একাধিক ছাত্র সংগঠন৷ সম্প্রতি কাশ্মীরে একটি ছাত্র সংগঠন পাবজিকে ফিউচার স্পয়লার অ্যাখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে সরকারের কাছে৷ অপরদিকে চেন্নাইয়ের একটি কলেজ সার্কুলার জারি করে পাবজিকে ব্যান করেছে৷