উদ্বোধনে এসে ম্যারাথনে দৌড় সেঞ্চুরি পার করা বৃদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাকপুর: ইডা কীলিংয়ের কথা মনে আছে? মার্কিন য়ুক্তরাষ্ট্রের এই বৃদ্ধা ১০২ বছর বয়সে ম্যারাথনে নেমে চমকে দিয়েছিলেন সকলকে৷ বাংলায় ফিরল সেই ইটা কীলিংয়ের স্মৃতি৷ মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধনে এসে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন ১০২ বছরের মন কৌর৷

যদিও ট্র্যাকে নামা এই প্রথম নয় কৌরের৷ গত বছরই বিশ্বরেকর্ড গড়ে ওয়ার্ল্ড মাস্টার্সে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন তিনি৷ তখন তাঁর বয়স ছিল ১০১ বছর৷

সকলের সমানভাবে বাঁচার অধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিতে বুধবার সোদপুরের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নারুলা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির উদ্যোগে আগরপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয় মিনি ম্যারাথন৷ সাড়ে পাঁচ কিলোমিটারের এই মিনি ম্যারাথন শেষ হয় খড়দায়৷ মশাল জ্বালিয়ে ম্যারাথনের সূচনা করেন ওয়ার্ল্ড মাস্টারস গেমসের স্বর্ণপদকজয়ী মন কাউর নিজে৷ এছাড়া সূচনা লগ্নে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার, কর্ণেল এস ভাদুড়ি, জেআইএস গ্রুপের কর্নধার তরণজিৎ সিং, নারুলা ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষা মৈত্রেয়ী কাঞ্জিলাল প্রমুখ।

- Advertisement -

এই মিনি ম্যারাথনে বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনের প্রতিনিধি একাধিক স্কুল এবং ওই কলেজের ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে প্রায় ১৬০০ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তবে মূল আকর্ষণ ছিল ১০২ বছরের মন কাউরকে ঘিরেই৷ অন্যান্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে বেশ খানিকটা দূর পর্যন্ত পাল্লা দিয়ে দৌড়ন তিনি৷

শেষে বাংলার য়ুব সমাজের প্রতি বার্তা দেন মন৷ তিনি বলেন, ‘সঠিক নিয়ম মেনে নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে সুস্থ থাকা সম্ভব। শরীর সুস্থ থাকলে সব কিছু ঠিকঠাক থাকবে। শরীরচর্চার মধ্য দিয়েই সম্ভব সঠিক শরীর গঠন। বর্তমান ছাত্র ও যুব সমাজকে সেই পথেই এগোতে হবে। কারণ নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প কিছু হয়না।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আর এক অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার বলেন, ‘নারী-পুরুষের সকলের সমান অধিকার এবং সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে যে মিনি ম্যারাথনের আয়োজন নারুলা কলেজ করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

Advertisement ---
---
-----