শুধু ‘ব্লাড মুন’ নয়, শুক্রের আকাশে দেখা যাবে মঙ্গল-জুপিটারও

নিউ ইয়র্ক: আর মাত্র দিন দুয়েক বাদেই আকাশে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’। আগামী ২৭ জুলাই হবে সেই গ্রহণ। ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ধরে চলবে সেই গ্রহণ। পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাবে চাঁদ। চাঁদের রঙ হয়ে যাবে লাল। সূর্যের আলোর প্রতিফলনেই এই রঙ ধারণ করবে চাঁদ। তবে চাঁদ একা নয়, মহাকাশে সেদিন সঙ্গে থাকবে মঙ্গল।

এটাই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। সেদিন একই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে পৃথিবী ও সূর্য। ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢাকা পড়বে সেই চাঁদ। তারপর রূপোলি রঙের চেনা চাঁদের রঙ বদলে হয়ে যাবে রক্তের মত লাল। আর চাঁদের ঠিক নিচেই দেখা যাবে লালগ্রহ মঙ্গলকে। ওই মঙ্গলকেও সবথেকে উজ্জ্বল রূপে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এর আগে শেষবার ২০০৩ সালে দেখা মঙ্গলকে উজ্জ্বল রূপে দেখা গিয়েছিল।

এখানেই শেষ নয়, ওইদিনই আকাশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণায় দেখা যাবে জুপিটারকে। চোখে পড়তে পারে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনও।

- Advertisement -

তবে বিশ্বের সব জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মানুষ এই গ্রহণ দেখতে পাবেন না। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর আগে এত বেশিক্ষণ ধরে চন্দ্রগ্রহণ এই শতাব্দীতে হয়নি। ফলে এবারের গ্রহণ নিঃসন্দেহে অভিনব ঘটনা হতে চলেছে।

২০১১ সালের ১৫ জুন চন্দ্রগ্রহণ হয়। তার স্থায়িত্ব ছিল ১০০ মিনিট। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই গ্রহণ হয় যা ১০৭ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। ১৯৮২ সালে চন্দ্রগ্রহণ ১০৭ মিনিট ও ১৯৩৫ সালে চন্দ্রগ্রহণ ১০১ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। এবার সেই সব রেকর্ড ছাপিয়ে চন্দ্রগ্রহণ ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট স্থায়ী হতে চলেছে।

এতক্ষণ ধরে চন্দ্রগ্রহণের কারণ চাঁদ পৃথিবীর মধ্যভাগের ছায়ার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যাবে। এটাকে বলা হচ্ছে উমব্রা। এক্ষেত্রে পৃথিবী ও চাঁদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Advertisement
---