মেডিক্যালে অনশন: সমস্যা সমাধানে এখনও দেরি!

স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: সময় যত এগোচ্ছে, বাড়ছে অনিশ্চয়তা৷ ১২ দিনের খালি পেট জবাব দিলেও, লড়ে চলেছেন মেডিক্যালের অনশনরত পড়ুয়ারা৷ শনিবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করলেও সমাধানে আরও একদিন সময় লাগবে৷ অর্থাৎ,রবিবারেও পরিস্থিতি একই থাকবে৷ তবে চলবে বিক্ষোভ কর্মসূচি৷ সকাল ১১টা থেকে মেডিক্যাল চত্ত্বরে জমায়েত, তারপর দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ মেডিক্যাল প্রশাসনিক বিল্ডিংয়ে গনকনভেনশনর ডাক দিয়েছেন অনশনরত পড়ুয়া ও সমর্থকরা৷

শনিবার দিনভর মেডিক্যালে যা যা হয়েছে সেই দিকে নজর দেওয়া যাক-

১. সিট ম্যাট্রিক্স তৈরি হয়েছে৷ পুরোনো হোস্টেলগুলোতে জায়গা ৯৪টি৷ প্রথম বর্ষ বাদে ২০০ সিনিয়র আবেদনকারী রয়েছেন৷

২.শনিবার অস্থায়ী প্রিন্সিপাল অশোক ভদ্র পড়ুয়াদের লিখিত ভাবে জানিয়েছেন যে,নতুন হোস্টেলের মোট তিনটে ফ্লোর এবং পুরোনো হোস্টেলের এর সিট কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে দেওয়া হবে৷ সেক্ষেত্রে সেই ছাড়পত্র দেবেন ডিএমই৷

৩. ডিএমই-র তাছে ইতিমধ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে৷ ডিএমই-র পর চিঠি যাবে উর্ধ্বতম কর্তৃপক্ষের কাছে৷ ততক্ষণ পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছাত্রদের৷

রবিবার অনশনরত ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করবেন প্রিন্সিপাল৷ অবশ্য, বার বারই ছাত্রদের অনুরোধ করা হচ্ছে চিকিৎসা নিতে৷ অনশনের প্রায় ২৬২ ঘন্টায় একের পর এক অনশনকারীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে৷ প্রথমে অনিকেত চট্টোপাধ্যায়, সুমিত ধাড়া ও তারপরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়া দেবাশিস বর্মণের।

স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র তমলুকের অর্ণব সাহারও৷ কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই চিকিৎসা নিচ্ছে দেবাশিস বর্মন ও অনিকেত চট্টোপাধ্যায়৷ ১০ জুলাই থেকে স্বচ্ছ হস্টেল কাউন্সেলিং-এর সহ বেশ কয়েকটি দাবিতে অনশনে পড়ুয়ারা৷ রবিবার ১৩ দিনে পা দিল এই অনশন কর্মসূচি৷ শুরুতে অনশন ৬ জন শুরু করলেও এখন সংখ্যাটা ২১৷

Advertisement
----
-----