মা মানসিক ভারসাম্যহীন! কী হবে সদ্যোজাতর ভবিষ্যৎ

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক মুহূর্তে পৃথিবীর আলো দেখল এক ফুটফুটে সদ্যোজাত৷ কিন্তু তাকে স্বাগত জানাতে গিয়েই প্রথম ধাক্কা খেতে হল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের৷ জন্ম পরিচয়পত্রে কী হবে তার ঠিকানা, কী হবে তার ভবিষ্যৎ এই প্রশ্নের বেড়াজালে আটকে গেল জেলা প্রশাসনিক ও চিকিৎসা মহল৷

প্রসঙ্গত, মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবতী সোমবার রাতে এক সদ্যোজাত পুত্র সন্তান জন্ম দেন। পরিচয়-হীন এক মানসিক ভারসাম্যহীন এই যুবতী মালদহের সামসি স্টেশনে গত দু’দিন ধরে প্রসব যন্ত্রণায় ছটপট করছিলেন। পথ চলতি অনেকেই এই তাঁকে এড়িয়ে গিয়েছেন। কিন্তু শেষে এক টোটো চালক ওই যুবতীকে সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করে। ভরতির কয়েক ঘণ্টা পরেই এদিন রাতে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি।

আরও পড়ুন: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে সহিষ্ণুতার বার্তা রাষ্ট্রপতির

- Advertisement -

কিন্তু শিশুর ভবিষ্যৎ ঠিক কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান চিকিৎসক থেকে প্রশাসনিক কর্তারা। যদিও এই প্রসঙ্গে মালদহের জেলা শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিশু ও মা সুস্থ হবার পর সরকারি ব্যবস্থাতে তাদের বন্দোবস্ত করা হবে।’’ এই খবর জানার পর নারী ও শিশু কল্যাণ সমিতির চেয়ার পার্সেন চৈতালি ঘোষ সরকার বলেন, ‘‘টেকনিক্যাল বিষয়টি দেখে আইনি পথে সরকার পাশে থাকবে।’’

আরও পড়ুন: বিপ্লবীরা যেন ‘জঙ্গি’, বিস্মৃত আলিপুর বোমা হামলার ঐতিহাসিক বোমা কারখানা

অন্যদিকে, সামসি গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসক অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘‘যে অবস্থায় যুবতী তাদের কাছে এসেছিলেন সেই সময় কোনও পরীক্ষা করার সুযোগ ছিল না। তাই একটু টেনশনে ছিলেন সকলেই। তবে এখন দু’জনেই ভালো আছে। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ কি তা নিয়েই চিন্তিত সকলে৷’’

Advertisement
---