চার বছর আগে ইউক্রেইনের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়ার বিমান এমএইচ১৭ রাশিয়ার বাক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ধ্বংস হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেটি যে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি ইউনিটের কাছ থেকে এসেছিল তা রিপোর্ট জমা দিয়ে দেখিয়ে দিল তদন্তকারী দলের আধিকারিকরা।

আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুর যাওয়ার পথে ২০১৪ সালের জুলাইয়ে বোয়িং ৭৭৭ সিরিজের বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানে থাকা ২৯৮ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন। এমএইচ১৭ ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে আগেই রাশিয়ায় নির্মিত বাক ক্ষেপণাস্ত্রকে দায়ী করা হলেও আন্তর্জাতিক কোনও তদন্ত দল এবারই প্রথম এর সঙ্গে রুশ কোনও বাহিনীর যোগ পাওয়া গেল।

ইউক্রেইনে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রেই মালয়েশীয় বিমানটি দোনেৎস্কে ধ্বংস হয় বলে প্রাথমিক তদন্ত শেষে ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে জানিয়েছিল জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম (জেআইটি)। যৌথ এই তদন্ত দলটি নেদারল্যান্ডস ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, মালয়েশিয়া ও ইউক্রেইনের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠন করা হয়।

বৃহস্পতিবার জেআইটির এক আধিকারিক জানান, রাশিয়ায় নির্মিত যে বাক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি ধ্বংস হয়েছিল, সেটি রাশিয়ার কার্সক শহরের ফিফটি থার্ড এন্টি-এয়ারক্রাফট ব্রিগেডই সরবরাহ করেছিল বলে নিশ্চিত হয়েছেন তারা। এই সংক্রান্ত বহু প্রামাণ্য নথি তাঁরা তুলে ধরেন বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে এমএইচ১৭ বিধ্বস্তের পেছনে রাশিয়াকেই দায়ী করেছিলেন। যদিও মস্কো শুরু থেকেই তাদের কোনো অস্ত্রে এমএইচ১৭ ধ্বংস হয়নি বলে দাবি জানিয়েছে।

----
--