বেলাকোবার চমচম আর ফুল নিয়ে সোনার মেয়ের বাড়িতে হাজির বিধায়ক

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: ক’টা দিন কলকাতায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন৷ কিন্তু জলপাইগুড়িতে ফিরে আর একটুও সময় নষ্ট করেননি বিধায়ক খগেশ্বর রায়৷ বেলাকোবার বিখ্যাত চমচম আর ফুলের তোরা নিয়ে শুক্রবার সকালেই হাজির হয়ে যান স্বপ্না বর্মনের বাড়িতে৷ এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী এই বাঙালি মেয়ে যে এখন গোটা দেশের গর্ব৷ সকলেই চান অলিম্পিকের ময়দানে ভারতের পতাকা উড়ুক তাঁর হাত ধরেই৷

এখনও দেশে ফেরেননি স্বপ্না৷ আপাতত যাঁরা আসছেন তাঁর মা-বাবার সঙ্গেই কথা বলছেন৷ এমন গুনী মেয়ের মা-বাবাকে তো সকলেই চাইবেন এক ঝলক দেখতে৷ এদিন খগেশ্বরবাবু স্বপ্নার মা-বাবার হাতেই ফুল, মিষ্টি তুলে দিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান৷ নিজের হাতে মিষ্টিও খাইয়ে দেন বিধায়ক৷

আরও পড়ুন: আমডাঙায় মুখ পুড়িয়ে ডিএসপিকে সরাল রাজ্য

- Advertisement -

স্বপ্নার বাড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভার পাতকাটা গ্রামপঞ্চায়েতের ঘোষপাড়ায়৷ এদিন সকাল থেকেই স্বপ্নার মা, বাবার হাতে ফুলের স্তবক তুলে দিয়েছেন সরকারি আধিকারিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা৷ সকলের মুখে এখন একটাই নাম, স্বপ্না৷

স্বপ্নার বাড়ির সামনে এখন সাজো সাজো রব৷ বিরাট প্যান্ডেল তৈরি চলছে৷ স্বপ্না গ্রামে ফিরলেই তাঁকে ঘিরে নানা অনুষ্ঠান৷ কতরকম পরিকল্পনা যে রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই৷ তা থাকবেই বা কেন! এমন মেয়ে তো লাখে একটা হয়৷ এ তো শুধু মা, বাবার গর্ব নয়৷ গ্রাম, জেলা, রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে দেশের গর্ব, দশের গর্ব৷

আরও পড়ুন: মডেলিংয়ের নামে কিশোরীকে নগ্ন করে ছবি! দোষী সাব্যস্ত যুবক

রোজই গ্রামের লোকজন একবার করে ঘুরে যাচ্ছেন স্বপ্নার বাড়িতে৷ দিন গুনছেন তাঁর ঘরে ফেরার৷ বিধায়ক এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্বপ্নাকে সবরকমভাবে সাহায্য করবেন৷ সেখানে আমাদের তো আর নতুন করে কিছু বলার নেই৷ তবে আমরা স্বপ্নার পরিবার ও স্বপ্নার পাশে সবসময় রয়েছি। আমরা স্বপ্নাকে আরও উপরে দেখতে চাই। অলিম্পিকে অংশ গ্রহণ করে দেশের নামকে আরও উজ্জ্বল করবেন, আমরা আশাবাদী৷

Advertisement
-----