ফাইল চিত্র

জলপাইগুড়ি: অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে যন্ত্রের সাহায্যে ধানের চারা রোপন করল কৃষি দফতর। এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করে অনেকটাই লাভ হবে বলে মনে করছে দফতর৷ অর্থ ব্যয়ে যেমন লাগাম দেওয়া যাবে তেমনই যেসব জায়গায় শ্রমিক পেতে সমস্যা হয় সেখানে প্রযুক্তির সাহায্যে সময় ও শ্রম দুই বাঁচিয়ে সহজে ফসল ফলানো সম্ভব হবে৷

মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার সদর ব্লকের পাতকাটার সুন্দর পাড়ায় এই বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ধানের চারা রোপন করা হয়। কৃষি দফতরের উদ্যোগে এদিন বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এদিনের কর্মশালায় কৃষি দফতরের আধিকারিক-সহ এলাকার বহু কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

আরও পড়ুন: বুধের রাশিচক্রে কোনদিকে ঘুরছে আপনার ভাগ্যের চাকা?

বিঘা প্রতি জমিতে যে পরিমাণ শ্রম ও সময় দিতে হয় এই যন্ত্রের সাহায্য নিলে তার অনেকটাই মিটবে৷ এদিনের কর্মশালায় সেসব বিষয়েই আলোচনা করা হয়৷ উদ্যোক্তারা জানান, মানুষের কায়িক পরিশ্রম বাদ রেখেই বিঘাতে কম সময়ে বেশী পরিমান ধানের চারা রোপন করা যাবে৷

কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্তদের এদিন হাতে কলমে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, সরকারের ৪০ শতাংশ ভরতুকিতে কৃষকদের এই যন্ত্রগুলি বিক্রি করা হবে৷ এদিন জমিতে যন্ত্রের সাহায্যে ধানের চারা রোপন করে কৃষকদের বোঝানো হয় কীভাবে তা কাজ করে৷

আরও পড়ুন: ‘মসজিদেও মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ, শুধুই সবরীমালাই কেন টার্গেট?’

এদিনের এই কর্মশালাকে কেন্দ্র করে এলাকার কৃষকদের আগ্রহ ছিল দেখার মতো৷ জেলা কৃষি দফতরের সহকারি অধিকর্তা মেহফুজ আহমেদ জানান, যন্ত্রের সাহায্যে ধান চারা বুনলে আর্থিকভাবে কৃষকরাই লাভবান হবেন৷ এই অনুষ্ঠানে নাবার্ড, খগেনহাটের কৃষি ফামার্স ক্লাবের সদস্যরাও অংশ নেন। জেলার অন্য ব্লকেও এইভাবে ধানের চারা রোপন করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত এলাকার বাসিন্দা শুভঙ্কর দাস বলেন, ‘‘এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করে অনেকটাই সুবিধে হবে। অন্যদিকে শ্রমিক সংখ্যা কম থাকলে সেটাও মিটে যাবে। একজনকে দিয়েই ধান রোপন হয়ে যাবে৷ আশাকরি আমাদের উপকারই হবে৷’’

https://youtu.be/vqaFKVMEL20

----
--