বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আচার্য মোদী

স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে বাংলায ভাষণ শুরু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর৷ বাংলাতেই সকলকে ‘শুভসকাল’ ও ‘প্রণাম’ জানিয়ে শুরু করেলন ভাষণ৷ একই সঙ্গে বললেন, ‘‘কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে এসে অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি৷’’

শান্তিনিকতেনর আম্রকুঞ্জে সমাবর্তনের মঞ্চে বক্তৃতা করতে উঠে পড়ুয়াদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর কথায়, আসার সময় তিনি বুঝতে পারছিলেন যে জল নেই বলে বোঝাতে চাইছিলেন৷ তাই পড়ুয়াদের যা যা অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য তিনি ক্ষমা চেয়ে নিলেন৷

আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

- Advertisement -

একই সঙ্গে আচার্য হিসেবে বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে উপস্থিত থাকতে পেরে প্রধানমন্ত্রী যে গর্বিত, তাও এদিন তিনি নিজের ভাষণে স্পষ্ট করেছেন৷ জানিয়েছেন, মন্দিরে গেলে মানুষের মধ্যে যে অনুভূতি হয়৷ শান্তিনিকেতনে পৌঁছে ঠিক সেই রকম অনুভূতি হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন৷ কারণ, শান্তিনিকেতনে এসে তাঁর মনে হচ্ছে, এখানেই গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের সাহিত্য রচনা করেছিলেন৷ নিজের অমর কীর্তি সৃষ্টি করেছেন৷

পাশাপাশি গোটা বিশ্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যেভাবে সম্মান করা হয়, সেকথাও উঠে এসেছে মোদীর ভাষণে৷ তাই কবিগুরুকে একজন ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

আরও পড়ুন: রাজ্যে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সতর্কতা

গোটা বিশ্বে এত জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে নিজের ভারতীয়ত্ব ভোলেননি, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন বিশ্বভারতীর আচার্য৷ নরেন্দ্র মোদীর দাবি, কবিগুরু নিজে তো এই নীতিতে চলতেন৷ একই সঙ্গে বিদেশে পড়তে যাওয়া জামাইকেও চিঠি লিখে সেকথা রবি ঠাকুর মনে করিয়ে দিয়েছিলেন বলে মোদীর দাবি৷

Advertisement
---