ঐতিহাসিক দিনে এল না জয়, ঘরের মাঠে আটকে গেল মহামেডান

কলকাতা: বাসারত নয়, ফ্লাডলাইটের আলোয় ময়দানে নিজেদের মাঠে ম্যাচ৷ স্বভাবতই গ্যালারি ভরানো মহামেডান সমর্থকদের চোখে মুখে উছ্বাস৷ ম্যাচের আগে উড়ল সাদা-কালো বেলুন৷ কার্যত নৈশালোকের এই ম্যাচ দিয়ে ফ্লাডলাইটে পথ চলা শুরু মহামেডানের৷ ময়দানের তৃতীয় প্রধানের ঐতিহাসিক দিনে অবশ্য সমর্থকদের মন ভরাতে পারল না মহামেডান ফুটবলাররা৷

জর্জের কাছে গোলশূন্য ড্র করে আটকে গেল রঘু নন্দীর ছেলেরা৷ এরিয়ান ম্যাচে হারের পর এই নিয়ে লিগে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট হাতছাড়া করল সাদা-কালো ব্রিগেড৷ দুই অর্ধ মিলিয়ে বেশ কয়েকবার দারুণ সেভ করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন জর্জের গোলকিপার লাল্টু মন্ডল৷ প্রথম দুই ম্যাচে চার গোল খেয়েছিল এই গোলকিপার৷ সাত মিনিট অতিরিক্ত সময় পেয়েও এদিন গোলের দরজা খুলতে পারেনি মহামেডান৷

সাদা-কালোর ঐতিহাসিক দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস৷ সাদা-কালো বেলুন উড়িয়ে ম্যাচ শুরু করেন ক্রীড়ামন্ত্রী৷ এছাড়াও প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে শিশির ঘোষ ও প্রসূন ব্যানার্জী মহামেডানের খেলা দেখতে এসেছিলেন৷ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রয়াণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে ম্যাচ শুরু হয়৷

- Advertisement -

ডাগআউটে প্রসূন-শিশিরকে পেয়েও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ মহামেডান৷ ম্যাচে একাধিক সুযোগ মিস করেছেন সাদা-কালো স্ট্রাইকাররা৷ ম্যাচের শেষে গোল মিসেকেই দুষলেন মহামেডান কোচ৷ সাদা কালো ব্রিগেডের কোচ রঘু নন্দী বলেন, ‘স্ট্রাইকারদের গোল না পাওয়াতেই ডুবতে হল৷ সুযোগ মিস করলে পয়েন্ট হারাতে হবেই৷’ দ্বিতীয়ার্ধের ৭৬ মিনিটে হ্যান্ড সেক দূরত্ব থেকে জর্জের গোলরক্ষকের হাতে মেরে বসেন সুমিত দাস৷ সেই প্রসঙ্গ টেনে মহামেডান কোচ বলেন, ‘ওয়ান টু ওয়ান সিচুয়েশনে গায়ে মেরে বসলে আর কিছু বলার নেই৷’ হতাশা চেপে রাখতে না পেরে কোচ আরও জুড়েছেন, ‘এই নিয়ে দুই ম্যাচে পয়েন্ট হারালাম৷ জানি না কোথায় শেষ করব৷’

ম্যাচের পাঁচ মিনিটে জর্জের গোলকিপার লাল্টু মন্ডল বাঁ-দিকে শরীর ছুঁড়ে দুরন্ত সেভ না করলে স্কোরলাইন এদিন অন্য কিছু হতেই পারত৷ মহামেডানের সত্যম শর্মার ফ্রি-কিক বিপক্ষ ফুটবলারের গায়ে লেগে বাঁক খেয়ে জালে জড়ানোর আগে দুরন্ত সেভে তা প্রতিহত করেন লাল্টু৷ ৭৫ মিনিটে সুমিতের শট লাল্টুর হাতে লেগে প্রতিহত হয়৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন এই গোলকিপার৷

Advertisement ---
-----