কলকাতা: আগের দিনই মোহনবাগানের জালে শুরুতেই বল জড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল রেনবো এফসি৷ শেষমেশ ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে পতন রোধ করে সবুজ-মেরুন শিবির৷ তবে চলতি কলকাতা লিগে প্রথম অঘটনের সাক্ষি থাকতে বিশেষ অপেক্ষা করতে হল না বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের৷ ঠিক পরের ম্যাচেই সাদা-কালো রং ধূসর করে জয় তুলে নিল এরিয়ান ক্লাব৷ কলকাতা লিগে হারের মুখ দেখতে হল তিন প্রধানের অন্যতম মহামেডান স্পোর্টিংকে৷

আরও পড়ুন: পুলিশের বিরুদ্ধে জয়ের মুখ দেখল ইস্টবেঙ্গল

বারাসত স্টেডিয়াম মুখ্য আকর্ষণ ছিল বাবা-ছেলের লড়াই৷ ম্যাচে শেষে হাসি ফুটল ছেলের ঠোঁটে৷ পেশাদার কেরিয়ারে এক্ষেত্রে ছেলের গর্বে গর্বিত হওয়ার উপায় রইল না বাবার৷ এরিয়ান কোচ রাজদীপ নন্দী সম্পর্কে মহামেডান কোচ রঘুর ছেলে হলেও নিজের দলের হারে খুশি হওয়ার মতো ব্যক্তিত্ব নন ময়দানের পোড়খাওয়া এই ফুটবল প্রশিক্ষক৷

ফুড কর্পোরেশনকে ১-০ গোলে হারিয়ে লিগ অভিযান শুরু করেছিল রঘু নন্দীর মহামেডান স্পোর্টিং৷ দ্বিতীয় ম্যাচেই রাজদীপ নন্দীর এরিয়ানের কাছে ০-১ গোলে হার মানল তারা৷ ম্যাচের ৩৭ মিনিটে এরিয়ানের হয়ে ম্যাচের একমাত্র গোল করেন চিনেদু এমানুয়েল৷

আরও পড়ুন: সাত রঙ ফিকে করে জয় ছিনিয়ে নিল সবুজ-মেরুন

যদিও এরিয়ানের আগেই ম্যাচে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিল মহামেডান৷ তবে ভাগ্য এক্ষেত্রে সঙ্গ দেয়নি রঘু নন্দীর দলকে৷ ৩৪ মিনিটের মাথায় জুয়েল রাজার হেডার পোস্টে প্রতিহত না হলে মহামেডান ম্যাচে লিড নিয়ে নিতে পারত৷

কিছুক্ষণের মধ্যেই মহামেডান রক্ষণের ভুলের সুযোগ নিয়ে এরিয়ানের হয়ে জয়সূচক গোল করেন এমানুয়েল৷ বক্সের সামনে বিবেক সিংয়ের পাশ থেকে জোরালো শটে মহামেডানের জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি৷

আরও পড়ুন: আর্জেন্তিনাকে হারানোর পর ফ্রান্সের সঙ্গে খেলবে ভারত

দ্বিতীয়ার্ধে দু’দল বেশ কয়েকবার আক্রমণে উঠেও প্রতিপক্ষের শেষ রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়৷ পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমে মহম্মদ আমিরুল ৬৭ মিনিটে গোল শোধ করার উপক্রম করলেও সহজ সুযোগ হাতছাড়া করার শেষমেশ হার হজম করে মাঠ ছাড়তে হয় মহামেডানকে৷

----
--