ডুডুর গোলে মহমেডানে অন্ধকার

গোলের পর ডুডু ৷ যুবভারতীতে ৷

সালগাওকর – ১ মহমেডান – ০

(ডুডু)

শিল্ড জিতে মেঘের উপর দিয়ে হাঁটছিল মহমেডান স্পোর্টিং ৷ আই লিগের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতেই আকাশ থেকে মাটিতে নেম এল সাদা-কালো শিবির ৷ প্রথমে পুণে এফসি-র কাছে হারতে হয়েছিল ৷ এবার গোয়ার দল সালগাওকর কলকাতায় এসে মাটি ধরিয়ে গেল সাদা-কালো শিবিরকে ৷ এই হারের ফলে অবনমনের ভূত আরও জাঁকিয়ে বসল মহমেডানে ৷ টানা দু’ ম্যাচ হারতে হল শিল্ড-জয়ী কোচ সঞ্জয় সেনকে ৷

ভারতে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই গোল পেয়েছিলেন ডুডু ৷ তাঁর গোলেই মোহনবাগানকে হারিয়েছিল সালগাওকর ৷ সেটা ছিল ডেরেক পেরেরার ছেলেদের হোম ম্যাচ ৷ এবার অ্যাওয়ে ম্যাচেও গোল করলেন ডুডু ৷ তাঁর গোলেই ম্যাচের নিষ্পত্তি হল ৷ গোলটির সময়ে প্রচণ্ড গতিতে মহমেডানের ডিফেন্সে ঢুকে পড়েন নাইেজরীয় স্ট্রাইকার ৷ তাঁর গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে পিছনে পড়ে থাকলেন লুসিয়ানো স্যাব্রোসা ৷ মেহরাজউদ্দিন ডুডুকে থামানোর মরিয়া একটা চেষ্টা করেছিলেন ৷ শেষে নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ভিতরেই পড়ে গেলেন সাদা-কালো স্টপার মেহরাজ ৷ ডুডু গোল করে গেলেন ৷ তারপরও কলকাতার দলের গোলমুখে আক্রমণ শানিয়েছিল সালগাওকর ৷ থুড়ি, ডুডু ৷ তাঁর বাঁ পায়ের শট একবার মহমেডানের পোস্ট কাঁপিয়ে ফিরে আসে ৷ সালগাওকর কোচ ডেরেক বলছেন, ‘ডুডু এখন অনেক পরিণত ৷ আগে শুধু গোলই করত ৷ এখন দলের প্রয়োজনে রক্ষণকেও সাহায্য করে ৷’ বিপক্ষ কোচের কাছ থেকেও প্রশংসা আদায় করে নিয়েছেন ডুডু ৷ সঞ্জয় বলেন, ‘ডুডু খুবই ভাল প্লেয়ার ৷ একটা-দুটো টাচেই তা প্রমাণ করছিল ৷’

গোল হজম করলেও, দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতেই পারত মহমেডান ৷ তাদের খেলায় সেই কামড় থাকলেও, কাজের কাজ করতে পারেননি জোসিমার, নবিরা ৷ফলে যা হওয়ার তাই হল ৷মহমেডান হারলেও দলের খেলায় খুশি সঞ্জয় ৷বলছেন, ‘ছেলেদের খেলা আমাকে তৃপ্তি দিয়েছে ৷’ সঞ্জয় আত্মতৃপ্ত হতেই পারেন ৷ তাতে মহমেডানের লাভ হবে না ৷ কলকাতায় এসে সালগাওকর গোয়ার পতাকা উড়িয়ে দিয়ে গেল ৷ কলকাতার দলগুলো অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেলেই যথেষ্ট মনে করে ৷কলকাতার ফুটবল ক্রমাগত পিছোচ্ছে ৷

----
-----