ইস্টবেঙ্গল দিবসে নজিরবিহীন সৌজন্য মোহনবাগানের

ইস্টবেঙ্গল দিবসের মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন মোহন বাগানের ফুটবল সচিব৷ নিজস্ব চিত্র

কলকাতা: মাঠের চিরশত্রুদের মধ্যে মাঠের বাইরে এমন সৌজন্য বিনিময় কলকাতা ময়দান খুব কমই দেখেছ৷ বাংলা তথা দেশের ফুটবলমহল তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের ফুটবল বৈরিতা৷ এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠের গণ্ডি ছাপিয়ে প্রায়শই সমর্থকদের হাতাহাতির রূপ নেয়৷ তবে বেশ কিছুদিন যাবৎ মাঠের বাইরে দুই ক্লাবকে অদ্ভূতভাবে একই মেরুতে দেখাচ্ছে৷

প্রথমত আইএসএল খেলা নিয়ে দুই প্রধানের মধ্যে একটা অলিখিত জোট তৈরি হয়েছে৷ যার প্রভাব পড়েছে দুই ক্লাবের পারস্পরিক সম্পর্কে৷ সেই রেশ ধরেই মোহনবাগানের তরফে নজিরবিহীন সৌজন্য দেখা গেল ইস্টবেঙ্গল দিবসে৷ লাল-হলুদ শিবির উদার চিত্তেই গ্রহণ করল সবুজ-মেরুণের এমন বেনজির উপহার৷

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল দিবসে উৎসবের আবহ লাল-হলুদে

- Advertisement -

ইস্টবেঙ্গল দিবসের উৎসব মঞ্চে মোহনবাগানের তরফে ফুটবল সচিব স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় পুস্পস্তবক ও স্মারক দিয়ে অভিনন্দন জানালেন লাল-হলুদ কর্তাদের৷

আরও পড়ুন: প্রদীপ পেলেন বাগান রত্ন, অধিনায়কদের দেওয়া হল গোল্ড কার্ড

অবশ্য দ্বিপাক্ষিক এই সৌজন্য বোধ একেবারে নতুন নয়৷ এর আগেও মোহনবাগান সভাপতি স্বপন সাধন বসুর পা পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল শিবিরে৷ ইস্টবেঙ্গল দিবসে শত্রুশিবিরকে অভিনন্দন জানাতে গিয়েছিলেন তিনি৷ তবে এবারের মতো ঘটা করে ফুল-স্মারক নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে হাজির হননি কোনও মোহনবাগান কর্তাই৷ সেদিক থেকে এমন ঘটনা বেনজির সন্দেহ নেই৷

আরও পড়ুন: ডার্বির দিন ঘোষণা করল আইএফএ

কাকতলীয়ভাবে মোহনবাগানের ফুটবল সচিব যখন ইস্টবেঙ্গলের মঞ্চে বন্ধুত্বের বার্তা দিচ্ছিলেন, ঠিক তার কিছুক্ষণ আগেই আইএফএ’র তরফে কয়েকশো মিটার দূরের ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবে মরশুমের প্রথম ডার্বির দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়৷ সুতরাং একই দিনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা যেমন জানতে পারল মাঠের লড়াইয়ের সূচি, তেমনই দেখতে পেল মাঠের বাইরে দুই প্রধানের বিরল সৌজন্যবোধ৷

Advertisement ---
---
-----