আরও গোল করতে চান কাটসুমি

সেই মধুর সম্পর্কে হঠাৎই চির৷ -ফাইল চিত্র৷

অক্সিজেন৷ প্রায় এক সিলিন্ডার অক্সিজেন পেয়ে গেল মোহনবাগান৷ ফেডকাপে নামার আগে আত্মবিশ্বাসের অক্সিজেন সিলিন্ডার ভর্তি করে রবিবার কাকভোরে ফেডকাপ খেলতে শহর ছাড়ছে করিম ব্রিগেড৷ শনিবারের এই জয়টা অনেক কিছুই বদলে দিয়ে গেল৷ সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে দিলেন কাটসুমি৷ যিনি সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই বলে দিলেন,‘একটা ম্যাচ, একটা গোল৷ পরের ম্যাচ কিন্তু আরও গুরুত্বপূর্ণ৷’ তাও একটা টেনশান ছিল, ওডাফার চোট কতটা গুরুতর৷ কিন্তু গোল মেশিন ড্রেসিংরুম থেকে বেড়িয়ে হাত তুলে ‘নো ইনজুরি’ বলতেই সমর্থকরা এমনভাবে তার ঘাড়ে চড়লেন তখনই বড় রকমের দূর্ঘটনা ঘটতে পারত৷ ওডাফা বলে গেলেন,‘এই ম্যাচে গোল পেলাম নাতো কি হয়েছে ফেডকাপে পরের ম্যাচ গুলোতে গোল করবই৷ দলটা মানসিকভাবে পিছিয়ে ছিল, এই জয়টা সেই দিক থেকে আমাদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করে তুলল৷  এই ডার্বি জয়টা আমাদের সত্যিই দরকার ছিল৷’

শনিবার আর পিছনের দরজা দিয়ে মাথায় হেলমেট চাপিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে পালিয়ে যাওয়া নয়৷ এদিন ওডাফা স্টেডিয়াম ছাড়লেন একেবারে মৃল ফাটক দিয়েই৷ একেবারে বীরের মত৷ জয়ধ্বনি শুনতে শুনতে৷ জীবনের প্রথম বড় ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন পঙ্কজ মৌলা, জাকিররা৷ সম্মানে পাশ করার পর ওদের মুখেও তৃপ্তির ছোঁয়া৷ সাংবাদিক সম্মেলনে করিম বলে গেলেন,‘পঙ্কজকে দেখে একবারও মনে হয়নি জীবনের প্রথম বড় ম্যাচ খেলছে৷’ সত্যি মনে হয়নি একবারও৷ আর জাকিরের আনন্দ এত সাপোর্টারের সামনে জয় তুলে নিতে পেরছেন বলে৷ ম্যাচ জিতে উঠে বলছিলেন,‘একটা অভিজ্ঞতা হল৷ প্রথম ডার্বি ছিল৷ উপভেোগ করতে নেমেছিলাম৷ সারা ম্যাচ উপভোগ করেছি৷ ’ ম্যাচের সেরা শিল্টন পাল এই জয়টা উৎসর্গ করেগেলেন নিজের বিশেষ বন্ধুকে৷ যাই হোক বড় ম্যাচ জিতে যেন নতুনভাবে ফর্মে ফিরলেন ওডাফারা৷  বড় ম্যাচ জিতে উঠে উচ্ছ্বসিত সবুজমেরুনের রক্ষণের নতুন তারকা প্রীতম কোটাল৷ তবে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন ,‘এই জয় নিয়ে বেশী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলে চলবে না আমাদের৷ ফেডকাপেও ভালো ফল করতে হবে৷’ এই ম্যাচ দেখতে এসে নিজের মোবাইলে দু’প্রধানের ছবি তুলে নিয়ে গেলেন ইউবি কর্ণধার বিজয় মালিয়া৷ সকালে ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে গিয়ে দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিকেলে এসেছিলেন যুববারতীতে৷ তাঁর উপস্থিতিতে অল্পের জন্য ডার্বি হাতছাড়া হল ইস্টবেঙ্গলের৷ তাসত্বেও এত দর্শকের উপস্থিতি আর আবেগ দেখে মালিয়ার বডি ল্যঙ্গুয়েজ যেন বলছিল তিনি বেশ ভালো অভিজ্ঞতা নিয়েই ফিরে গেলেন৷

প্রতিবেদন: প্রসূন বিশ্বাস

Advertisement ---
---
-----