শিব রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী হতে সাধুদের হুড়োহুড়ি

ভোপাল: তাঁরাও টিকিট চান৷ বিধায়ক, সাংসদ হয়ে জাতির সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে চান৷ তাই দরকার প্রার্থী পদের টিকিট৷ সেই কারণেই বিজেপির মধ্যপ্রদেশ রাজ্য দফতরে লেগেছে সাধু-সন্তদের ভিড়৷ পরিস্থিতি এমন হচ্ছে যে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না সাধু কাদের বেছে নেবেন নেতৃত্ব তারই দিশা পাচ্ছেন না৷

মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সামনে কঠিন পরীক্ষা৷ বিধানসভায় যেমন সরকার ধরে রাখার তাগিদ, তেমনই রাজ্য থেকে বিজেপির জন্য বড় সংখ্যক সাংসদ পাঠানোও তাঁরই ঘাড়ে পড়েছে৷ এদিকে গত কয়েকটি উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ে বেড়েছে চিন্তা৷ সবমিলে জেরবার শিবরাজ৷ গত এপ্রিল মাসে পাঁচ সাধুকে রাজ্যমন্ত্রী হয়েছেন৷ এরপরেই লেগেছে সাধুদের ভিড়৷ ভজন কীর্তন ছেড়ে দলে দলে সাধুরা হামলে পড়েছেন টিকিট নিয়ে বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে৷

‘আজ তক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকিট পেতে প্রবল আগ্রহী কম্পিউটার বাবা হিসেবে সুপরিচিত স্বামী নামদেব ত্যাগী৷ তিনি বলেছেন, আমিও ভোটে লড়তে চাই বিজেপির হয়ে৷ যদি মুখ্যমন্ত্রী চান তাহলে আমি নেমে পড়ব প্রচারে৷ ইন্দোর থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলেই জানিয়েছেন শিষ্যরা৷

- Advertisement -

কম্পিউটার বাবা নর্মদা নদীর তীরবর্তী এলাকায় খনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন৷ এর জন্য রথযাত্রা বের করেন তিনি৷ এখন রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সবটাই ছিল রাজনীতিতে বাবার প্রবেশ করার গোপন ইচ্ছে৷ কারণ এরপরেই তিনি টিকিট পেতে আগ্রহী হয়ে পড়েন৷ তবে ইতিমধ্যেই কম্পিউটার বাবাকে রাজ্যমন্ত্রীর তকমা দিয়েছে সরকার৷

এদিকে অন্য সাধুরাও যার যার নিজের পছন্দমতো নেতার সুপারিশ নিয়ে ভোটে লড়ার টিকিটের জন্য ধরনা দিতে শুরু করেছেন৷ উজ্জ্বয়িনী নিবাসী অবধেশপুরী বাবা জানিয়েছেন, আমি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সঙ্গে যুক্ত এছাড়া আরএসএসের সঙ্গে জড়িত৷ আমিও ভোটে লড়ব৷ যদি সেটা সম্ভব না হয়, তাহলে নির্দল হিসেবেও দাঁড়াব৷

যে কোনও উপায়ে বিধানসভা ভোটে একবার প্রার্থী হতে চান সন্ত মদন মোহন খড়েশ্বরী আখড়ার মহারাজ৷ তিনি বলেছেন, আমি জিতবই এটা একদম নিশ্চিত৷ আমি গত ৩০ বছর ধরে আখড়ার হয়ে জনগণের সেবা করছি৷

এছাড়াও একের পর এক বাবা নেমে পড়েছেন টিকিট চাইতে৷ সংখ্যাটা ৫০০ ছাড়াচ্ছে৷ এতেই চিন্তায় পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব৷

Advertisement ---
-----